তাঞ্জানিয়া
আফগানিস্তান
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য আফগানিস্তানের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
আফগানিস্তানে যাওয়ার আগে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা আফগানিস্তানের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী তাঞ্জানিয়ায় আফগানিস্তানের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে আফগানিস্তানের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
-
২,৫৬৬ km
-
৩,১০৭ km
-
৩,৯৬০ km
Dodoma-এর সবচেয়ে কাছের আফগানিস্তানের মিশনগুলো সানা (ইয়েমেন, ২,৫৬৬ কিলোমিটার), জেদ্দা (সৌদি আরব, ৩,১০৭ কিলোমিটার) ও আবুধাবি (সংযুক্ত আরব আমিরাত, ৩,৯৬০ কিলোমিটার) শহরে। তাঞ্জানিয়ার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে আফগানিস্তান; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
আফগানিস্তানের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ
আফগানিস্তান
তাঞ্জানিয়া ই-ভিসা আফগানিস্তানের নাগরিকদের জন্য তাঞ্জানিয়ার ভিসা
আফগানিস্তান ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো দেশে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
তাঞ্জানিয়া থেকে আফগানিস্তানে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আফগানিস্তানকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) আফগানিস্তানে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৩০ জুলাই, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো আফগানিস্তানের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা আফগানিস্তানে কত দিন থাকতে পারেন
আফগানিস্তানে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
তাঞ্জানিয়ায় আফগানিস্তানের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে আফগানিস্তানের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে তাঞ্জানিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে আফগানিস্তানের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের জন্য আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ
ইরান যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না। তুর্কমেনিস্তান, চীন ও উজবেকিস্তান যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
আফগানিস্তানের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়া ভ্রমণ
যাত্রার আগে আফগানিস্তানের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়ার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আফগানিস্তানে যেতে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
আফগানিস্তানে যাওয়ার আগে তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
তাঞ্জানিয়ায় কি আফগানিস্তানের দূতাবাস আছে?
না। তাঞ্জানিয়ায় আফগানিস্তানের কোনো দূতাবাস নেই। আফগানিস্তানের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইয়েমেনের সানায়, Dodoma থেকে ২,৫৬৬ কিলোমিটার দূরে।
তাঞ্জানিয়ায় যেতে আফগানিস্তানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যাত্রার আগে আফগানিস্তানের নাগরিকদের তাঞ্জানিয়ার ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
তাঞ্জানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া আফগানিস্তানে যেতে পারেন?
না। তাঞ্জানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে আফগানিস্তানের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।