শ্রীলঙ্কাজার্মানি

শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জার্মানি ভ্রমণে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · colombo.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

শ্রীলঙ্কায় জার্মানির মিশন

  • ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, কলম্বো

    দূতাবাস · কলম্বো

    Alfred House Avenue 40, Colombo 03

    আজ · বন্ধ

শ্রীলঙ্কায় জার্মানির একটি মিশন আছে; দূতাবাস কলম্বোতে।

জার্মানি: শ্রীলঙ্কায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৪,৫২৭২,৭২২১,৭০২৩৮.২% ৯৪.৯%
২০২৪ ৫,০৯৫৩,৩৭১১,৬৪৯৩২.৮% ৯৮.০%
২০২৫ ৪,৪৫৪৩,৮৩২৬০২১৩.৬% ৯৯.৮%

২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কলম্বো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪,৪৫৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩,৮৩২টি ভিসা দিয়েছে। ১৩.৬% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩২.৮%, অর্থাৎ এটি ১৯.৩ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৩% কমেছে (২০২৪ সালে ৫,০৯৫টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে শ্রীলঙ্কায় জমা পড়া আবেদনের ২৯.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। শ্রীলঙ্কায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি চতুর্থ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে শ্রীলঙ্কায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ

জার্মানিশ্রীলঙ্কা অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য শ্রীলঙ্কার ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

শ্রীলঙ্কা থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

শ্রীলঙ্কায় আবেদন করা যায় কলম্বোতে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে শ্রীলঙ্কার ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানি ভ্রমণে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

শ্রীলঙ্কায় জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস কলম্বোতে।

শ্রীলঙ্কায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে শ্রীলঙ্কার ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।