দক্ষিণ সুদান
মিয়ানমার
দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
দক্ষিণ সুদানের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ সুদানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব৩,০৪৪ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের দূতাবাস, প্রিটোরিয়া৩,৪২৫ km
Julius Jeppe Street 329, Pretoria
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স৩,৭৬৬ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
জুবার সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ৩,০৪৪ কিলোমিটার), প্রিটোরিয়া (দক্ষিণ আফ্রিকা, ৩,৪২৫ কিলোমিটার) ও এথেন্স (গ্রিস, ৩,৭৬৬ কিলোমিটার) শহরে। দক্ষিণ সুদান থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের দক্ষিণ সুদান ভ্রমণ
মিয়ানমার
দক্ষিণ সুদান ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ সুদানের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
দক্ষিণ সুদান থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
দক্ষিণ সুদানের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
দক্ষিণ সুদানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
দক্ষিণ সুদানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে দক্ষিণ সুদান পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও ভারত যেতে দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের দক্ষিণ সুদান ভ্রমণ
দক্ষিণ সুদানে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
দক্ষিণ সুদানে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। দক্ষিণ সুদানে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, জুবা থেকে ৩,০৪৪ কিলোমিটার দূরে।
দক্ষিণ সুদানে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
দক্ষিণ সুদানে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
দক্ষিণ সুদানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।