দক্ষিণ কোরিয়া
জার্মানি
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
- সর্বোচ্চ অবস্থান
- ৯০ দিন
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · seoul.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
জার্মানি: দক্ষিণ কোরিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৪৫৭ | ৪৩৫ | ১৩ | ২.৯% | ৩১.৩% |
| ২০২৪ | ৭০৬ | ৬২৭ | ৬৭ | ৯.৬% | ১৫.৬% |
| ২০২৫ | ৭০১ | ৬৩২ | ৬৪ | ৯.২% | ১৩.০% |
২০২৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (সিউল) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৭০১টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬৩২টি ভিসা দিয়েছে। ৯.২% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৯.৬%। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ৭০৬টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে দক্ষিণ কোরিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ১১.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ৩.৬% থেকে ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১২.১% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে দক্ষিণ কোরিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের দক্ষিণ কোরিয়া ভ্রমণ
জার্মানি
দক্ষিণ কোরিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন জার্মানির নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে জার্মানিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। জার্মানিতে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া জার্মানি ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
জার্মানির নাগরিকদের দক্ষিণ কোরিয়া ভ্রমণ
জার্মানির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানির মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই জার্মানিতে যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন?
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।