দক্ষিণ আফ্রিকাগ্রিস

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গ্রিসে যাওয়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রিসের মিশন

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস প্রিটোরিয়ায়।

গ্রিস: দক্ষিণ আফ্রিকায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১৩,২১৯১২,৭১৫৪২০৩.২% ৯৯.২%
২০২৪ ১২,৬৫৫১২,২২৬৩৬১২.৯% ৯৭.০%
২০২৫ ১২,৭৩০১২,৪৬১২২৮১.৮% ৯৭.০%

২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (জোহানেসবার্গ ও কেপ টাউন) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১২,৭৩০টি আবেদন পেয়েছে এবং ১২,৪৬১টি ভিসা দিয়েছে। ১.৮% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ২.৯%। আবেদনের সংখ্যা প্রায় আগের মতোই ছিল (২০২৪ সালে ১২,৬৫৫টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে দক্ষিণ আফ্রিকায় জমা পড়া আবেদনের ৫.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে দক্ষিণ আফ্রিকায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণ

গ্রিসদক্ষিণ আফ্রিকা ভিসা লাগে না, ৯০ দিন গ্রিসের নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

গ্রিসে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

দক্ষিণ আফ্রিকায় আবেদন করা যায় প্রিটোরিয়ায় গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও বুলগেরিয়া যেতে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে গ্রিসের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্রিসে যাওয়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস প্রিটোরিয়ায়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

দক্ষিণ আফ্রিকায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে গ্রিসের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।