সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
মিয়ানমার
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী সলোমন দ্বীপপুঞ্জে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ক্যানবেরা৩,০৮০ km
Arkana Street 22, 2600 Canberra
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ম্যানিলা৫,০৫৪ km
Amorsolo Street 152, Makati
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বন্দর সেরি বেগাওয়ান৫,২৪০ km
Simpang 212 14, Bandar Seri Begawan
দূরত্বের হিসাবে হোনিয়ারা থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো ক্যানবেরা (অস্ট্রেলিয়া, ৩,০৮০ কিলোমিটার), ম্যানিলা (ফিলিপাইন, ৫,০৫৪ কিলোমিটার) ও বন্দর সেরি বেগাওয়ান (ব্রুনেই, ৫,২৪০ কিলোমিটার) শহরে। সলোমন দ্বীপপুঞ্জ থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণ
মিয়ানমার
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য সলোমন দ্বীপপুঞ্জের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
সলোমন দ্বীপপুঞ্জে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন যেতে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সলোমন দ্বীপপুঞ্জে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। সলোমন দ্বীপপুঞ্জে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়, হোনিয়ারা থেকে ৩,০৮০ কিলোমিটার দূরে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সলোমন দ্বীপপুঞ্জে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।