সৌদি আরবগ্রিস

সৌদি আরবের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

গ্রিস ভ্রমণে সৌদি আরবের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

সৌদি আরবে গ্রিসের মিশন

সৌদি আরবে গ্রিসের একটি মিশন আছে; দূতাবাস রিয়াদে।

গ্রিস: সৌদি আরবে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২২,৮৮০২০,৯৩৮১,৭১৮৭.৬% ৯২.৯%
২০২৪ ২৫,৯৭৫২৩,২৫৪২,৪১৭৯.৪% ৯৪.১%
২০২৫ ১২,১৫৯৯,১৮৭২,১৫৪১৮.৯% ৯১.৪%

২০২৫ সালে সৌদি আরবে গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (রিয়াদ) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১২,১৫৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ৯,১৮৭টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৮.৯%। ২০২৪ সালের ৯.৪%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৯.৫ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫৩% কমেছে (২০২৪ সালে ২৫,৯৭৫টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে সৌদি আরবে জমা পড়া আবেদনের ৫.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটে ১.৬% থেকে বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটে ৫৫.৪% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। সৌদি আরবে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস দশম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে সৌদি আরবে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণ

গ্রিসসৌদি আরব অন-অ্যারাইভাল ভিসা গ্রিসের নাগরিকদের জন্য সৌদি আরবের ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

সৌদি আরব থেকে গ্রিসে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

সৌদি আরবের নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

গ্রিসে সৌদি আরবের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

সৌদি আরবের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

সৌদি আরবে আবেদন করা যায় রিয়াদে গ্রিসের দূতাবাসে, অথবা গ্রিসের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে গ্রিস।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

গ্রিসের দেওয়া শেনজেন ভিসায় সৌদি আরবের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; গ্রিস যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন গ্রিসের কাছেই করতে হয়।

সৌদি আরবের নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

আলবেনিয়া ও তুরস্ক যেতে সৌদি আরবের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও বুলগেরিয়া যেতে সৌদি আরবের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গ্রিসের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণ

সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে সৌদি আরবের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্রিস ভ্রমণে সৌদি আরবের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

সৌদি আরবে গ্রিসের দূতাবাস কোথায়?

গ্রিসের দূতাবাস রিয়াদে।

সৌদি আরবে যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর গ্রিসের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সৌদি আরবের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

না। সৌদি আরবের নাগরিকদের আগে থেকে গ্রিসের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।