সাও টোমে ও প্রিন্সিপে
নাইজার
সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের জন্য নাইজারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
নাইজার ভ্রমণে সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকরা নাইজারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে নাইজারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে নাইজারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- নাইজারের দূতাবাস, কোতোনু৮২১ km
Rue 651A, Cotonou
-
৮৯০ km
-
৯৬৪ km
দূরত্বের হিসাবে সাও টোমে থেকে নাইজারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো কোতোনু (বেনিন, ৮২১ কিলোমিটার), লোমে (টোগো, ৮৯০ কিলোমিটার) ও আক্রা (ঘানা, ৯৬৪ কিলোমিটার) শহরে। সাও টোমে ও প্রিন্সিপে থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে নাইজার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
নাইজারের নাগরিকদের সাও টোমে ও প্রিন্সিপে ভ্রমণ
নাইজার
সাও টোমে ও প্রিন্সিপে ই-ভিসা নাইজারের নাগরিকদের জন্য সাও টোমে ও প্রিন্সিপের ভিসা
নাইজার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো দেশে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সাও টোমে ও প্রিন্সিপে থেকে নাইজারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নাইজারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৮ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) নাইজারে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো নাইজারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকরা নাইজারে কত দিন থাকতে পারেন
নাইজারে সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে নাইজারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে নাইজারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে সাও টোমে ও প্রিন্সিপে পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে নাইজারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের জন্য নাইজারের প্রতিবেশী দেশ
বেনিন যেতে সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। আলজেরিয়া ও মালি যেতে সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
নাইজারের নাগরিকদের সাও টোমে ও প্রিন্সিপে ভ্রমণ
সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে যেতে নাইজারের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
নাইজারে যেতে সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
নাইজার ভ্রমণে সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে কি নাইজারের দূতাবাস আছে?
না। সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে নাইজারের কোনো দূতাবাস নেই। নাইজারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস বেনিনের কোতোনুতে, সাও টোমে থেকে ৮২১ কিলোমিটার দূরে।
সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে যেতে নাইজারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সাও টোমে ও প্রিন্সিপেতে যেতে নাইজারের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।
সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া নাইজারে যেতে পারেন?
না। সাও টোমে ও প্রিন্সিপের নাগরিকদের আগে থেকে নাইজারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।