সান মারিনো
উত্তর কোরিয়া
সান মারিনোর নাগরিকদের জন্য উত্তর কোরিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
উত্তর কোরিয়া ভ্রমণে সান মারিনোর নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
সান মারিনোর নাগরিকরা উত্তর কোরিয়ার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী সান মারিনোতে উত্তর কোরিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার দূতাবাস, রোম২৩৫ km
Viale dell'Esperanto 26, 00144 Roma
- গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার দূতাবাস, বার্ন৫১০ km
Pourtalèsstrasse 43, 3074 Muri bei Bern
- গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার দূতাবাস, ভিয়েনা৫৫৯ km
Beckmanngasse 10-12, 1140 Wien
দূরত্বের হিসাবে সান মারিনো থেকে উত্তর কোরিয়ার যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো রোম (ইতালি, ২৩৫ কিলোমিটার), বার্ন (সুইজারল্যান্ড, ৫১০ কিলোমিটার) ও ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া, ৫৫৯ কিলোমিটার) শহরে। সান মারিনো থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে উত্তর কোরিয়া; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের সান মারিনো ভ্রমণ
উত্তর কোরিয়া
সান মারিনো আগে থেকে ভিসা লাগে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য সান মারিনোর ভিসা
উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো দেশে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সান মারিনো থেকে উত্তর কোরিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উত্তর কোরিয়াকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ২৮ এপ্রিল, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো উত্তর কোরিয়ায় শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উত্তর কোরিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
সান মারিনোর নাগরিকরা উত্তর কোরিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
উত্তর কোরিয়ায় সান মারিনোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
সান মারিনোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
সান মারিনোতে উত্তর কোরিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই সান মারিনোর নাগরিকদের আবেদন করতে হবে উত্তর কোরিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে সান মারিনো পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে উত্তর কোরিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
সান মারিনোর নাগরিকদের জন্য উত্তর কোরিয়ার প্রতিবেশী দেশ
চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া যেতে সান মারিনোর নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের সান মারিনো ভ্রমণ
সান মারিনোতে যাওয়ার আগে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। সান মারিনো ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
উত্তর কোরিয়ায় যেতে সান মারিনোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
উত্তর কোরিয়া ভ্রমণে সান মারিনোর নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
সান মারিনোতে কি উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস আছে?
না। সান মারিনোতে উত্তর কোরিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইতালির রোমে, সান মারিনো থেকে ২৩৫ কিলোমিটার দূরে।
সান মারিনোতে যেতে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সান মারিনোতে যাওয়ার আগে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
সান মারিনোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া উত্তর কোরিয়ায় যেতে পারেন?
না। সান মারিনোর নাগরিকদের আগে থেকে উত্তর কোরিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।