রুয়ান্ডাবেলজিয়াম

রুয়ান্ডার নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

রুয়ান্ডার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · rwanda.diplomatie.belgium.be-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

রুয়ান্ডায় বেলজিয়ামের মিশন

রুয়ান্ডায় বেলজিয়ামের একটি মিশন আছে; দূতাবাস কিগালিতে।

বেলজিয়াম: রুয়ান্ডায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১০,৫০৯৭,৬২০২,৮৮৯২৭.৪% ৩০.৭%
২০২৪ ৯,৯৮৫৬,৮৩৭৩,০৬২৩০.৯% ৩৭.৪%
২০২৫ ১,৯৬৭১,১০৭৭৪৫৪০.২% ৪৯.০%

২০২৫ সালে রুয়ান্ডায় বেলজিয়ামের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কিগালি) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৯৬৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,১০৭টি ভিসা দিয়েছে। ৪০.২% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৩০.৯%, অর্থাৎ এটি ৯.৩ পয়েন্ট বেড়েছে, যা স্পষ্ট বৃদ্ধি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৮০% কমেছে (২০২৪ সালে ৯,৯৮৫টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে রুয়ান্ডায় জমা পড়া আবেদনের ৩৭.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে বেলজিয়ামের কনস্যুলেটগুলো ২৬.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। রুয়ান্ডায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে বেলজিয়াম দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে রুয়ান্ডায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

বেলজিয়ামের নাগরিকদের রুয়ান্ডা ভ্রমণ

বেলজিয়ামরুয়ান্ডা ভিসা লাগে না, ৩০ দিন বেলজিয়ামের নাগরিকদের জন্য রুয়ান্ডার ভিসা

বেলজিয়াম ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

রুয়ান্ডা থেকে বেলজিয়ামে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বেলজিয়ামকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) বেলজিয়ামের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৭ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেলজিয়ামের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

রুয়ান্ডার নাগরিকরা বেলজিয়ামে কত দিন থাকতে পারেন

বেলজিয়ামে রুয়ান্ডার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

রুয়ান্ডার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

রুয়ান্ডায় আবেদন করা যায় কিগালিতে বেলজিয়ামের দূতাবাসে, অথবা বেলজিয়ামের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে বেলজিয়াম।

বেলজিয়াম ও শেনজেন অঞ্চল

বেলজিয়ামের দেওয়া শেনজেন ভিসায় রুয়ান্ডার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; বেলজিয়াম যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন বেলজিয়ামের কাছেই করতে হয়।

রুয়ান্ডার নাগরিকদের জন্য বেলজিয়ামের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, লাক্সেমবার্গ ও ফ্রান্স যেতে রুয়ান্ডার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

বেলজিয়ামের নাগরিকদের রুয়ান্ডা ভ্রমণ

রুয়ান্ডায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বেলজিয়ামে যেতে রুয়ান্ডার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

রুয়ান্ডার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

রুয়ান্ডায় বেলজিয়ামের দূতাবাস কোথায়?

বেলজিয়ামের দূতাবাস কিগালিতে।

রুয়ান্ডায় যেতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

রুয়ান্ডায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে বেলজিয়ামের নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

রুয়ান্ডার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া বেলজিয়ামে যেতে পারেন?

না। রুয়ান্ডার নাগরিকদের আগে থেকে বেলজিয়ামের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।