কাতার
জার্মানি
কাতারের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জার্মানি ভ্রমণে কাতারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · doha.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
কাতারে জার্মানির মিশন
- ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, দোহা
Majlis Al Taawon Street Building 17, Zone 60, Street 810, Doha
কাতারে জার্মানির একটি মিশন আছে; দূতাবাস দোহায়।
জার্মানি: কাতারে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ২৩,০৭৭ | ১৯,৬৫৩ | ৩,২৮৩ | ১৪.৩% | ৯৭.১% |
| ২০২৪ | ২২,৮০৬ | ১৮,৬৬৮ | ৩,৮২৫ | ১৬.৯% | ৯৬.৬% |
| ২০২৫ | ১৯,৫৩১ | ১৭,১৪৩ | ২,১১২ | ১০.৯% | ৯৯.৫% |
২০২৫ সালে কাতারে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (দোহা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৯,৫৩১টি আবেদন পেয়েছে এবং ১৭,১৪৩টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১০.৯%। ২০২৪ সালের ১৬.৯%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৬.০ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১৪% কমেছে (২০২৪ সালে ২২,৮০৬টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কাতারে জমা পড়া আবেদনের ১৫.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৭.২% থেকে বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটে ৫৬.৬% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কাতারে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কাতারে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের কাতার ভ্রমণ
জার্মানি
কাতার অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য কাতারের ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
কাতার থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
কাতারের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
জার্মানিতে কাতারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
কাতারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
কাতারে আবেদন করা যায় দোহায় জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় কাতারের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।
কাতারের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে কাতারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
জার্মানির নাগরিকদের কাতার ভ্রমণ
জার্মানির নাগরিকরা কাতারে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে কাতারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানি ভ্রমণে কাতারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
কাতারে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?
জার্মানির দূতাবাস দোহায়।
কাতারে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানির নাগরিকরা কাতারে পৌঁছে ভিসা (অন-অ্যারাইভাল ভিসা) নিতে পারেন, যাতে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
কাতারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
না। কাতারের নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।