কাতারফ্রান্স

কাতারের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ফ্রান্স ভ্রমণে কাতারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · qa.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

কাতারে ফ্রান্সের মিশন

কাতারে ফ্রান্সের একটি মিশন আছে; দূতাবাস দোহায়।

ফ্রান্স: কাতারে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ২৩,১৮৯২০,৬১০২,৪৫৬১০.৬% ৬০.৫%
২০২৪ ২৪,২৭৪২১,২৫৯২,৪৫৮১০.৪% ৫৯.০%
২০২৫ ২৩,১৭৪২১,১৮৫১,৮৩৪৮.০% ৫৭.৬%

২০২৫ সালে কাতারে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (দোহা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২৩,১৭৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ২১,১৮৫টি ভিসা দিয়েছে। ৮.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ১০.৪%, অর্থাৎ এটি ২.৪ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫% কমেছে (২০২৪ সালে ২৪,২৭৪টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে কাতারে জমা পড়া আবেদনের ১৫.১% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৭.২% থেকে বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটে ৫৬.৬% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কাতারে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে কাতারে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ফ্রান্সের নাগরিকদের কাতার ভ্রমণ

ফ্রান্সকাতার অন-অ্যারাইভাল ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য কাতারের ভিসা

ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ফ্রান্সে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন কাতারের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

কাতারের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন

ফ্রান্সে কাতারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

কাতারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

কাতারে আবেদন করা যায় দোহায় ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।

ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল

ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় কাতারের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।

কাতারের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে কাতারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ফ্রান্সের নাগরিকদের কাতার ভ্রমণ

কাতারে পৌঁছানোর পর ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফ্রান্সে যেতে কাতারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ফ্রান্স ভ্রমণে কাতারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

কাতারে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?

ফ্রান্সের দূতাবাস দোহায়।

কাতারে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

কাতারে পৌঁছানোর পর ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।

কাতারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?

না। কাতারের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।