পর্তুগাল
সান মারিনো
পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য সান মারিনোর ভিসা
প্রবেশের শর্ত
সান মারিনো ভ্রমণে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসার প্রয়োজন হয় না।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
সান মারিনোর নাগরিকদের পর্তুগাল ভ্রমণ
সান মারিনো
পর্তুগাল ভিসা লাগে না, ৯০ দিন সান মারিনোর নাগরিকদের জন্য পর্তুগালের ভিসা
সান মারিনো ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
সান মারিনোতে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) সান মারিনোর ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সান মারিনোর জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
পর্তুগালের নাগরিকরা সান মারিনোতে কত দিন থাকতে পারেন
তথ্যে পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য সান মারিনোতে সর্বোচ্চ অবস্থানের মেয়াদ উল্লেখ নেই; প্রবেশের সময় অভিবাসন কর্মকর্তারা তা ঠিক করেন।
পর্তুগালের নাগরিকদের জন্য সান মারিনোর প্রতিবেশী দেশ
ইতালি যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
সান মারিনোর নাগরিকদের পর্তুগাল ভ্রমণ
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য সান মারিনোর নাগরিকদের পর্তুগালের ভিসা লাগে না। পর্তুগাল ও সান মারিনোর মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সান মারিনোতে যেতে পর্তুগালের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
সান মারিনো ভ্রমণে পর্তুগালের নাগরিকদের ভিসার প্রয়োজন হয় না।
পর্তুগালে যেতে সান মারিনোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য সান মারিনোর নাগরিকদের পর্তুগালের ভিসা লাগে না।
পর্তুগালের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া সান মারিনোতে যেতে পারেন?
হ্যাঁ, পর্তুগালের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া সান মারিনোতে যেতে পারেন।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।