ফিলিপাইন
ইসওয়াতিনি
ফিলিপাইনের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ইসওয়াতিনি ভ্রমণে ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
ফিলিপাইনের নাগরিকরা ইসওয়াতিনির ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী ফিলিপাইনে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে ইসওয়াতিনির দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- ইসওয়াতিনির হাইকমিশন, কুয়ালালামপুর২,৪৬৬ km
Jalan Ampang 165, Kuala Lumpur
-
৮,৯২৪ km
- ইসওয়াতিনির দূতাবাস, ব্রাসেলস১০,৫০৯ km
Avenue Winston Churchill - Winston Churchilllaan 188, Brussels
দূরত্বের হিসাবে ম্যানিলা থেকে ইসওয়াতিনির যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া, ২,৪৬৬ কিলোমিটার), আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া, ৮,৯২৪ কিলোমিটার) ও ব্রাসেলস (বেলজিয়াম, ১০,৫০৯ কিলোমিটার) শহরে। ফিলিপাইনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে ইসওয়াতিনি; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
ইসওয়াতিনির নাগরিকদের ফিলিপাইন ভ্রমণ
ইসওয়াতিনি
ফিলিপাইন ভিসা লাগে না, ৩০ দিন ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য ফিলিপাইনের ভিসা
ইসওয়াতিনি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ফিলিপাইন থেকে ইসওয়াতিনিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইসওয়াতিনিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইসওয়াতিনির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসওয়াতিনির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
ফিলিপাইনের নাগরিকরা ইসওয়াতিনিতে কত দিন থাকতে পারেন
ইসওয়াতিনিতে ফিলিপাইনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ফিলিপাইনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ফিলিপাইনে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ফিলিপাইনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে ইসওয়াতিনির সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ফিলিপাইন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে ইসওয়াতিনির অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ইসওয়াতিনির নাগরিকদের ফিলিপাইন ভ্রমণ
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ফিলিপাইনে যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ইসওয়াতিনিতে যেতে ফিলিপাইনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসওয়াতিনি ভ্রমণে ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
ফিলিপাইনে কি ইসওয়াতিনির দূতাবাস আছে?
না। ফিলিপাইনে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস নেই। ইসওয়াতিনির সবচেয়ে কাছের হাইকমিশন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে, ম্যানিলা থেকে ২,৪৬৬ কিলোমিটার দূরে।
ফিলিপাইনে যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ইসওয়াতিনির নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ফিলিপাইনে যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
ফিলিপাইনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন?
না। ফিলিপাইনের নাগরিকদের আগে থেকে ইসওয়াতিনির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।