পেরুচেক প্রজাতন্ত্র

পেরুর নাগরিকদের জন্য চেক প্রজাতন্ত্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

চেক প্রজাতন্ত্রে যেতে পেরুর নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mzv.cz-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

চেক প্রজাতন্ত্র: পেরুতে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৬২৫৪৮১২.৯% ৭.৪%
২০২৪ ৭৮২০৫৮৭৪.৪% ২৫.০%
২০২৫ ৩০৩০০০.০% ১০.০%

২০২৫ সালে পেরুতে চেক প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (লিমা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩০টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩০টি ভিসা দিয়েছে। ০.০% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৭৪.৪%, অর্থাৎ এটি ৭৪.৪ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৬২% কমেছে (২০২৪ সালে ৭৮টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে পেরুতে জমা পড়া আবেদনের ১৬.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে চেক প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। পেরুতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে চেক প্রজাতন্ত্র দশম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে পেরুতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

চেক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের পেরু ভ্রমণ

চেক প্রজাতন্ত্রপেরু ভিসা লাগে না, ৯০ দিন চেক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের জন্য পেরুর ভিসা

চেক প্রজাতন্ত্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

পেরু থেকে চেক প্রজাতন্ত্রে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর চেক প্রজাতন্ত্রকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ জানুয়ারি, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) চেক প্রজাতন্ত্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চেক প্রজাতন্ত্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

পেরুর নাগরিকরা চেক প্রজাতন্ত্রে কত দিন থাকতে পারেন

পেরুর নাগরিকরা চেক প্রজাতন্ত্রে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। চেক প্রজাতন্ত্রে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

চেক প্রজাতন্ত্র ও শেনজেন অঞ্চল

পেরুর নাগরিকদের ভিসা ছাড়া চেক প্রজাতন্ত্র ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

পেরুর নাগরিকদের জন্য চেক প্রজাতন্ত্রের প্রতিবেশী দেশ

পোল্যান্ড, জার্মানি, স্লোভাকিয়া ও অস্ট্রিয়া যেতে পেরুর নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

চেক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের পেরু ভ্রমণ

পেরুতে যেতে চেক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়। পেরু ও চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

চেক প্রজাতন্ত্রে যেতে পেরুর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

চেক প্রজাতন্ত্রে যেতে পেরুর নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

পেরুর নাগরিকরা চেক প্রজাতন্ত্রে কত দিন থাকতে পারেন?

পেরুর নাগরিকরা চেক প্রজাতন্ত্রে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

পেরুতে যেতে চেক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পেরুতে যেতে চেক প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

পেরুর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া চেক প্রজাতন্ত্রে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, পেরুর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া চেক প্রজাতন্ত্রে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।