প্যারাগুয়ে
মিয়ানমার
প্যারাগুয়ের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে প্যারাগুয়ের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
প্যারাগুয়ের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী প্যারাগুয়েতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ব্রাসিলিয়া১,৪৬০ km
SHIS QI 7 Conjunto 9 2, Brasília
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ওয়াশিংটন ডিসি৭,৪১৯ km
S Street Northwest 2300, 20008 Washington
- মিয়ানমারের দূতাবাস, অটোয়া৮,০৭১ km
Island Park Drive 336, Ottawa
আসুনসিয়নের সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো ব্রাসিলিয়া (ব্রাজিল, ১,৪৬০ কিলোমিটার), ওয়াশিংটন ডিসি (যুক্তরাষ্ট্র, ৭,৪১৯ কিলোমিটার) ও অটোয়া (কানাডা, ৮,০৭১ কিলোমিটার) শহরে। প্যারাগুয়ে থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের প্যারাগুয়ে ভ্রমণ
মিয়ানমার
প্যারাগুয়ে আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য প্যারাগুয়ের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
প্যারাগুয়ে থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
প্যারাগুয়ের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে প্যারাগুয়ের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
প্যারাগুয়ের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
প্যারাগুয়েতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই প্যারাগুয়ের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে প্যারাগুয়ে পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
প্যারাগুয়ের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও বাংলাদেশ যেতে প্যারাগুয়ের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের প্যারাগুয়ে ভ্রমণ
প্যারাগুয়েতে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। প্যারাগুয়ে ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে প্যারাগুয়ের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে প্যারাগুয়ের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
প্যারাগুয়েতে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। প্যারাগুয়েতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ায়, আসুনসিয়ন থেকে ১,৪৬০ কিলোমিটার দূরে।
প্যারাগুয়েতে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
প্যারাগুয়েতে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
প্যারাগুয়ের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। প্যারাগুয়ের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।