পাপুয়া নিউ গিনিব্রাজিল

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের জন্য ব্রাজিলের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ব্রাজিলে যাওয়ার আগে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকরা ব্রাজিলের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী পাপুয়া নিউ গিনিতে ব্রাজিলের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে ব্রাজিলের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে পোর্ট মোরসবি থেকে ব্রাজিলের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো দিলি (পূর্ব তিমুর, ২,৩৭২ কিলোমিটার), সিডনি (অস্ট্রেলিয়া, ২,৭৪৩ কিলোমিটার) ও ম্যানিলা (ফিলিপাইন, ৩,৯৩০ কিলোমিটার) শহরে। পাপুয়া নিউ গিনি থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে ব্রাজিল; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

ব্রাজিলের নাগরিকদের পাপুয়া নিউ গিনি ভ্রমণ

ব্রাজিলপাপুয়া নিউ গিনি ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) ব্রাজিলের নাগরিকদের জন্য পাপুয়া নিউ গিনির ভিসা

ব্রাজিল ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

পাপুয়া নিউ গিনি থেকে ব্রাজিলে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ব্রাজিলকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩০ আগস্ট, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ব্রাজিলের কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্রাজিলের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৫ নভেম্বর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকরা ব্রাজিলে কত দিন থাকতে পারেন

ব্রাজিলে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

পাপুয়া নিউ গিনিতে ব্রাজিলের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের আবেদন করতে হবে ব্রাজিলের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে পাপুয়া নিউ গিনি পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে ব্রাজিলের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের জন্য ব্রাজিলের প্রতিবেশী দেশ

পেরু ও কলম্বিয়া যেতে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের ভিসা লাগে না। উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, ভেনেজুয়েলা ও আর্জেন্টিনা যেতে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ব্রাজিলের নাগরিকদের পাপুয়া নিউ গিনি ভ্রমণ

পাপুয়া নিউ গিনিতে যেতে ব্রাজিলের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ৬০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ব্রাজিলে যেতে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ব্রাজিলে যাওয়ার আগে পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

পাপুয়া নিউ গিনিতে কি ব্রাজিলের দূতাবাস আছে?

না। পাপুয়া নিউ গিনিতে ব্রাজিলের কোনো দূতাবাস নেই। ব্রাজিলের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস পূর্ব তিমুরের দিলিতে, পোর্ট মোরসবি থেকে ২,৩৭২ কিলোমিটার দূরে।

পাপুয়া নিউ গিনিতে যেতে ব্রাজিলের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পাপুয়া নিউ গিনিতে যেতে ব্রাজিলের নাগরিকদের ভিসা নয়, যাত্রার আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি (ETA) নিতে হয়, যা দিয়ে ৬০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ব্রাজিলে যেতে পারেন?

না। পাপুয়া নিউ গিনির নাগরিকদের আগে থেকে ব্রাজিলের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।