ফিলিস্তিন
মিয়ানমার
ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী ফিলিস্তিনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব২৩ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স১,২২৩ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বেলগ্রেড১,৯০৩ km
Кнеза Милоша 72, Belgrade
দূরত্বের হিসাবে ফিলিস্তিন থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ২৩ কিলোমিটার), এথেন্স (গ্রিস, ১,২২৩ কিলোমিটার) ও বেলগ্রেড (সার্বিয়া, ১,৯০৩ কিলোমিটার) শহরে। ফিলিস্তিনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিলিস্তিন ভ্রমণ
মিয়ানমার
ফিলিস্তিন আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ফিলিস্তিনের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ফিলিস্তিন থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা কীভাবে আবেদন করবেন
ফিলিস্তিনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ফিলিস্তিন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন যেতে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের ফিলিস্তিন ভ্রমণ
ফিলিস্তিনে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। ফিলিস্তিন ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের ভিসা নিতে হয়।
ফিলিস্তিনে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। ফিলিস্তিনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, ফিলিস্তিন থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে।
ফিলিস্তিনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফিলিস্তিনে যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।