ফিলিস্তিনজার্মানি

ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জার্মানি ভ্রমণে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

ফিলিস্তিনে ভিসার আবেদন কোথায় করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী ফিলিস্তিনে জার্মানির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

জার্মানি: ফিলিস্তিনে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৩,৪৬০৩,০৮৭৩৬৫১০.৬% ৯৩.৪%
২০২৪ ১,৬২৭১,২৯৩১৭৮১১.০% ৭২.৫%
২০২৫ ৩,৪৩৪২,৭৮৩৩৭২১১.৮% ৮৪.০%

২০২৫ সালে ফিলিস্তিনে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (রামাল্লাহ) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,৪৩৪টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,৭৮৩টি ভিসা দিয়েছে। ১১.৮% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১১.০%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১১১% বেড়েছে (২০২৪ সালে ১,৬২৭টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ফিলিস্তিনে জমা পড়া আবেদনের ১৬.৭% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ফিলিস্তিনে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ফিলিস্তিনে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের ফিলিস্তিন ভ্রমণ

জার্মানিফিলিস্তিন ভিসা লাগে না জার্মানির নাগরিকদের জন্য ফিলিস্তিনের ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

ফিলিস্তিন থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা কীভাবে আবেদন করবেন

ফিলিস্তিনে জার্মানির কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আবেদন করতে হবে জার্মানির সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে ফিলিস্তিন পড়ে, অথবা সেই শেনজেন দেশের মাধ্যমে, যে জার্মানির পক্ষে ভিসার আবেদন নেয়; সঠিক জায়গা জানা যাবে জার্মানির অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের ফিলিস্তিন ভ্রমণ

ফিলিস্তিনে যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানি ভ্রমণে ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

ফিলিস্তিনে কি জার্মানির দূতাবাস আছে?

না। ফিলিস্তিনে জার্মানির কোনো দূতাবাস নেই।

ফিলিস্তিনে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ফিলিস্তিনে যেতে জার্মানির নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। ফিলিস্তিনের পাসপোর্টধারীদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।