পাকিস্তান
ফ্রান্স
পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফ্রান্স ভ্রমণে পাকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ২টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · pk.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
পাকিস্তানে ফ্রান্সের মিশন
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, ইসলামাবাদ
44000 Islamabad
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেট জেনারেল, করাচি
Bath island Road, Karachi
পাকিস্তানে ফ্রান্সের ২টি মিশন আছে; দূতাবাস ইসলামাবাদে। কনস্যুলেট: করাচি।
ফ্রান্স: পাকিস্তানে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৮,২২৫ | ৫,০৫০ | ৩,১৮৪ | ৩৮.১% | ৩১.৬% |
| ২০২৪ | ৭,৬৯৪ | ৪,৩৪০ | ৩,১২৩ | ৪১.৭% | ৩২.৫% |
| ২০২৫ | ৯,৫০৩ | ৫,৯৭৫ | ৩,৫৭৫ | ৩৭.২% | ৩৪.৮% |
২০২৫ সালে পাকিস্তানে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (ইসলামাবাদ) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৯,৫০৩টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫,৯৭৫টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩৭.২%। ২০২৪ সালের ৪১.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৪.৪ পয়েন্ট কমেছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৪% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৭,৬৯৪টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে পাকিস্তানে জমা পড়া আবেদনের ৪৫.৯% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল জার্মানির কনস্যুলেটে ২৪.২% থেকে ডেনমার্কের কনস্যুলেটে ৭৮.৭% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স পঞ্চম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে পাকিস্তানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের পাকিস্তান ভ্রমণ
ফ্রান্স
পাকিস্তান ই-ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য পাকিস্তানের ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
পাকিস্তান থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
পাকিস্তানের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে পাকিস্তানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
পাকিস্তানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
পাকিস্তানে আবেদন করা যায় ইসলামাবাদে ফ্রান্সের দূতাবাসে অথবা করাচি শহরের কনস্যুলেটে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় পাকিস্তানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
পাকিস্তানের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে পাকিস্তানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের পাকিস্তান ভ্রমণ
ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য পাকিস্তানের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে পাকিস্তানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্স ভ্রমণে পাকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
পাকিস্তানে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?
ফ্রান্সের দূতাবাস ইসলামাবাদে, আর করাচি শহরে কনস্যুলেটও আছে।
পাকিস্তানে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য পাকিস্তানের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৩০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।
পাকিস্তানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। পাকিস্তানের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।