ওমান
ফ্রান্স
ওমানের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ফ্রান্সে যাওয়ার আগে ওমানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · om.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
ওমানে ফ্রান্সের মিশন
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, মাস্কাট
Madinat Al Sultan Qaboos PC 115, Muscat
ওমানে ফ্রান্সের একটি মিশন আছে; দূতাবাস মাস্কাটে।
ফ্রান্স: ওমানে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৫,১৯০ | ৪,৫৯৪ | ৫৮৬ | ১১.৩% | ৭০.৭% |
| ২০২৪ | ৬,৪৯৬ | ৫,৮২৮ | ৬১৮ | ৯.৬% | ৭৬.৩% |
| ২০২৫ | ১৩,১২৫ | ১১,৮৩৯ | ১,১৮৭ | ৯.১% | ৮১.৬% |
২০২৫ সালে ওমানে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (মাস্কাট) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১৩,১২৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ১১,৮৩৯টি ভিসা দিয়েছে। ৯.১% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৯.৬%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১০২% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৬,৪৯৬টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে ওমানে জমা পড়া আবেদনের ১০.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল অস্ট্রিয়ার কনস্যুলেটে ৩.৭% থেকে স্পেনের কনস্যুলেটে ১৬.৬% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। ওমানে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে ওমানে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ফ্রান্সের নাগরিকদের ওমান ভ্রমণ
ফ্রান্স
ওমান অন-অ্যারাইভাল ভিসা ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য ওমানের ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ওমান থেকে ফ্রান্সে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
ওমানের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে ওমানের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
ওমানের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
ওমানে আবেদন করা যায় মাস্কাটে ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় ওমানের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
ওমানের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে ওমানের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের ওমান ভ্রমণ
ফ্রান্সের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে ওমানের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে ওমানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সে যাওয়ার আগে ওমানের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
ওমানে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?
ফ্রান্সের দূতাবাস মাস্কাটে।
ওমানে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ফ্রান্সের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে ওমানের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
ওমানের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। ওমানের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।