উত্তর ম্যাসেডোনিয়াগ্রিস

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

ভিসা লাগে না সর্বোচ্চ ৯০ দিন

গ্রিসে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

সর্বোচ্চ অবস্থান
৯০ দিন
আবেদন কোথায় করবেন
আগে থেকে কিছু করার দরকার নেই

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mfa.gr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

গ্রিস: উত্তর ম্যাসেডোনিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৫০৮৪১৬৪৭৯.৬% ৬৯.৭%
২০২৪ ৪৪১৩৯৬৩৫৮.০% ৬৭.২%
২০২৫ ৪৮২৪৪০৩৪৭.১% ৪৭.৭%

২০২৫ সালে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ায় গ্রিসের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (স্কোপিয়ে ও বিটোলা) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪৮২টি আবেদন পেয়েছে এবং ৪৪০টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৭.১%। হারটি ২০২৪ সালের (৮.০%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৯% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৪৪১টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৫.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে গ্রিসের কনস্যুলেটগুলো ১৪.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। উত্তর ম্যাসেডোনিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে গ্রিস দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

গ্রিসের নাগরিকদের উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ভ্রমণ

গ্রিসউত্তর ম্যাসেডোনিয়া ভিসা লাগে না, ৯০ দিন গ্রিসের নাগরিকদের জন্য উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার ভিসা

গ্রিস ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

উত্তর ম্যাসেডোনিয়া থেকে গ্রিসে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গ্রিসকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গ্রিসের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রিসের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকরা গ্রিসে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন। গ্রিসে কাটানো দিনগুলো সব সদস্য দেশের প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়।

গ্রিস ও শেনজেন অঞ্চল

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের ভিসা ছাড়া গ্রিস ভ্রমণ প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমায় গোনা হয়, যা সব সদস্য দেশে একসঙ্গে প্রযোজ্য।

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের জন্য গ্রিসের প্রতিবেশী দেশ

আলবেনিয়া, তুরস্ক ও বুলগেরিয়া যেতে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না।

গ্রিসের নাগরিকদের উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ভ্রমণ

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য গ্রিসের নাগরিকদের উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার ভিসা লাগে না। উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ও গ্রিসের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গ্রিসে যেতে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

গ্রিসে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকদের কোনো ভিসা নিতে হয় না।

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকরা গ্রিসে কত দিন থাকতে পারেন?

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকরা গ্রিসে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন, প্রতি ১৮০ দিনে ৯০ দিনের শেনজেন সীমার মধ্যে।

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ায় যেতে গ্রিসের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য গ্রিসের নাগরিকদের উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার ভিসা লাগে না।

উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন?

হ্যাঁ, উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গ্রিসে যেতে পারেন এবং ৯০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।