নেপাল
জার্মানি
নেপালের নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
জার্মানিতে যাওয়ার আগে নেপালের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · kathmandu.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
নেপালে জার্মানির মিশন
- ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, কাঠমান্ডু
ज्ञानेश्वर मार्ग 690, Kathmandu
নেপালে জার্মানির একটি মিশন আছে; দূতাবাস কাঠমান্ডুতে।
জার্মানি: নেপালে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৪,৪৬১ | ৩,০২৪ | ১,৪৩১ | ৩২.১% | ৯৯.৯% |
| ২০২৪ | ৪,২১৯ | ২,৭১০ | ১,৫০৫ | ৩৫.৭% | ৯৫.৫% |
| ২০২৫ | ৩,৭০৫ | ২,৯১৫ | ৭৬৮ | ২০.৮% | ৪৯.১% |
২০২৫ সালে নেপালে জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কাঠমান্ডু) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৩,৭০৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,৯১৫টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২০.৮%। ২০২৪ সালের ৩৫.৭%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১৪.৯ পয়েন্ট কমেছে, যা আবেদনকারীদের জন্য স্পষ্ট উন্নতি। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ১২% কমেছে (২০২৪ সালে ৪,২১৯টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে নেপালে জমা পড়া আবেদনের ২৪.৫% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফিনল্যান্ডের কনস্যুলেটে ১৯.২% থেকে সুইজারল্যান্ডের কনস্যুলেটে ৩১.২% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। নেপালে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে নেপালে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
জার্মানির নাগরিকদের নেপাল ভ্রমণ
জার্মানি
নেপাল অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য নেপালের ভিসা
জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
নেপাল থেকে জার্মানিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
নেপালের নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন
জার্মানিতে নেপালের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
নেপালের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
নেপালে আবেদন করা যায় কাঠমান্ডুতে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।
জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল
জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় নেপালের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।
নেপালের নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে নেপালের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
জার্মানির নাগরিকদের নেপাল ভ্রমণ
নেপালে পৌঁছানোর পর জার্মানির নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ১৫০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
জার্মানিতে যেতে নেপালের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
জার্মানিতে যাওয়ার আগে নেপালের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
নেপালে জার্মানির দূতাবাস কোথায়?
জার্মানির দূতাবাস কাঠমান্ডুতে।
নেপালে যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
নেপালে পৌঁছানোর পর জার্মানির নাগরিকদের ভিসা দেওয়া হয় এবং সেখানে ১৫০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়, তাই যাত্রার আগে কিছু করতে হয় না।
নেপালের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?
না। নেপালের নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।