নামিবিয়াজার্মানি

নামিবিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জার্মানিতে যাওয়ার আগে নামিবিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · windhuk.diplo.de-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

নামিবিয়ায় জার্মানির মিশন

  • ফেডারেল প্রজাতন্ত্রী জার্মানির দূতাবাস, উইন্ডহোক

    দূতাবাস · উইন্ডহোক

    Independence Avenue 145, Windhoek

    আজ ০৯:০০–১২:০০

নামিবিয়ায় জার্মানির একটি মিশন আছে; দূতাবাস উইন্ডহোকে।

জার্মানি: নামিবিয়ায় ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৩,২৫২৩,০৫৭১৫৫৪.৮% ৯৯.৯%
২০২৪ ২,৮৭৭২,৭২৭১১৮৪.১% ৯৯.৮%
২০২৫ ২,২৮৯২,২০৪৬৫২.৯% ৯৯.৭%

২০২৫ সালে নামিবিয়ায় জার্মানির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (উইন্ডহোক) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ২,২৮৯টি আবেদন পেয়েছে এবং ২,২০৪টি ভিসা দিয়েছে। ২.৯% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ৪.১%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২০% কমেছে (২০২৪ সালে ২,৮৭৭টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে নামিবিয়ায় জমা পড়া আবেদনের ৩.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। সারা বিশ্বে জার্মানির কনস্যুলেটগুলো ১৩.১% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। নামিবিয়ায় শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে জার্মানি সবচেয়ে বেশি আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে নামিবিয়ায় সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

জার্মানির নাগরিকদের নামিবিয়া ভ্রমণ

জার্মানিনামিবিয়া অন-অ্যারাইভাল ভিসা জার্মানির নাগরিকদের জন্য নামিবিয়ার ভিসা

জার্মানি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

নামিবিয়া থেকে জার্মানিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জার্মানিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জার্মানির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

নামিবিয়ার নাগরিকরা জার্মানিতে কত দিন থাকতে পারেন

জার্মানিতে নামিবিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

নামিবিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

নামিবিয়ায় আবেদন করা যায় উইন্ডহোকে জার্মানির দূতাবাসে, অথবা জার্মানির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে জার্মানি।

জার্মানি ও শেনজেন অঞ্চল

জার্মানির দেওয়া শেনজেন ভিসায় নামিবিয়ার নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; জার্মানি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন জার্মানির কাছেই করতে হয়।

নামিবিয়ার নাগরিকদের জন্য জার্মানির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, বেলজিয়াম, চেক প্রজাতন্ত্র, লাক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে নামিবিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জার্মানির নাগরিকদের নামিবিয়া ভ্রমণ

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে নামিবিয়ার ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জার্মানিতে যেতে নামিবিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানিতে যাওয়ার আগে নামিবিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

নামিবিয়ায় জার্মানির দূতাবাস কোথায়?

জার্মানির দূতাবাস উইন্ডহোকে।

নামিবিয়ায় যেতে জার্মানির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জার্মানির নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে নামিবিয়ার ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

নামিবিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারেন?

না। নামিবিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে জার্মানির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।