মিয়ানমার
তিউনিসিয়া
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য তিউনিসিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
তিউনিসিয়া ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মিয়ানমারের নাগরিকরা তিউনিসিয়ার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে তিউনিসিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে তিউনিসিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
-
২,৯৬৬ km
- তিউনিসিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, জাকার্তা৩,১১৬ km
Jalan Karang Asem Tengah 21, Jakarta
- তিউনিসিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, সিউল৩,৫৭৭ km
장문로6길 8, 04393 서울특별시
Nay Pyi Taw-এর সবচেয়ে কাছের তিউনিসিয়ার মিশনগুলো বেইজিং (চীন, ২,৯৬৬ কিলোমিটার), জাকার্তা (ইন্দোনেশিয়া, ৩,১১৬ কিলোমিটার) ও সিউল (দক্ষিণ কোরিয়া, ৩,৫৭৭ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমার থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে তিউনিসিয়া; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
তিউনিসিয়ার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
তিউনিসিয়া
মিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
তিউনিসিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমার থেকে তিউনিসিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তিউনিসিয়াকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) তিউনিসিয়ার কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৪ জুলাই, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তিউনিসিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
মিয়ানমারের নাগরিকরা তিউনিসিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
তিউনিসিয়ায় মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিয়ানমারে তিউনিসিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে তিউনিসিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে তিউনিসিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য তিউনিসিয়ার প্রতিবেশী দেশ
আলজেরিয়া যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
তিউনিসিয়ার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। মিয়ানমার ও তিউনিসিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
তিউনিসিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
তিউনিসিয়া ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারে কি তিউনিসিয়ার দূতাবাস আছে?
না। মিয়ানমারে তিউনিসিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। তিউনিসিয়ার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস চীনের বেইজিংয়ে, Nay Pyi Taw থেকে ২,৯৬৬ কিলোমিটার দূরে।
মিয়ানমারে যেতে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে তিউনিসিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া তিউনিসিয়ায় যেতে পারেন?
না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে তিউনিসিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।