মিয়ানমারস্পেন

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য স্পেনের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

স্পেন ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

মিয়ানমারের নাগরিকরা স্পেনের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে স্পেনের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে স্পেনের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকায় মিয়ানমারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত মিশন হিসেবে স্পেনের ব্যাংককে অবস্থিত দূতাবাস (থাইল্যান্ড, Nay Pyi Taw থেকে ৮১৮ কিলোমিটার) উল্লেখ করা আছে। মিয়ানমারের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে স্পেন; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

স্পেনের নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

স্পেনমিয়ানমার ই-ভিসা স্পেনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

স্পেন ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

স্পেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পেনকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৩১ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) স্পেনের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পেনের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২ নভেম্বর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিয়ানমারের নাগরিকরা স্পেনে কত দিন থাকতে পারেন

স্পেনে মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিয়ানমারে স্পেনের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে স্পেনের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে, অথবা সেই শেনজেন দেশের মাধ্যমে, যে স্পেনের পক্ষে ভিসার আবেদন নেয়; সঠিক জায়গা জানা যাবে স্পেনের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

স্পেন ও শেনজেন অঞ্চল

স্পেনের দেওয়া শেনজেন ভিসায় মিয়ানমারের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; স্পেন যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন স্পেনের কাছেই করতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য স্পেনের প্রতিবেশী দেশ

আন্ডোরা, পর্তুগাল, ফ্রান্স ও মরক্কো যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

স্পেনের নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

যাত্রার আগে স্পেনের নাগরিকদের মিয়ানমারের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

স্পেনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

স্পেন ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

মিয়ানমারে কি স্পেনের দূতাবাস আছে?

না। মিয়ানমারে স্পেনের কোনো দূতাবাস নেই। অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকা অনুযায়ী মিয়ানমারের দায়িত্বে আছে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত দূতাবাস।

মিয়ানমারে যেতে স্পেনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যাত্রার আগে স্পেনের নাগরিকদের মিয়ানমারের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া স্পেনে যেতে পারেন?

না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে স্পেনের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।