মিয়ানমারদক্ষিণ আফ্রিকা

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

মিয়ানমারে দক্ষিণ আফ্রিকার মিশন

মিয়ানমারে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি মিশন আছে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: ইয়াঙ্গুন।

এখানে ব্যবহৃত অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকা অনুযায়ী মিয়ানমারের দায়িত্বে আছে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাংককে অবস্থিত দূতাবাস (থাইল্যান্ড, Nay Pyi Taw থেকে ৮১৭ কিলোমিটার)। Nay Pyi Taw-এর সবচেয়ে কাছের দক্ষিণ আফ্রিকার অন্য মিশনগুলো হ্যানয় (ভিয়েতনাম, ১,০২৩ কিলোমিটার) ও কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া, ১,৯৪২ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমারের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে দক্ষিণ আফ্রিকা; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

দক্ষিণ আফ্রিকামিয়ানমার ই-ভিসা দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দক্ষিণ আফ্রিকাকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৬ মে, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৫ নভেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

মিয়ানমারের নাগরিকরা দক্ষিণ আফ্রিকায় কত দিন থাকতে পারেন

দক্ষিণ আফ্রিকায় মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিয়ানমারে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই, আর ইয়াঙ্গুন শহরের অনারারি কনস্যুলেট সাধারণত ভিসা দেয় না। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে দক্ষিণ আফ্রিকার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশ

ইসওয়াতিনি ও লেসোথো যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

যাত্রার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের মিয়ানমারের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিয়ানমারে কি দক্ষিণ আফ্রিকার দূতাবাস আছে?

না। মিয়ানমারে দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো দূতাবাস নেই; শুধু ইয়াঙ্গুন শহরে অনারারি কনস্যুলেট আছে। অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকা অনুযায়ী মিয়ানমারের দায়িত্বে আছে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত দূতাবাস।

মিয়ানমারে যেতে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

যাত্রার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকদের মিয়ানমারের ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকায় যেতে পারেন?

না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।