মিয়ানমারগুয়াতেমালা

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য গুয়াতেমালার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গুয়াতেমালায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

মিয়ানমারের নাগরিকরা গুয়াতেমালার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে গুয়াতেমালার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে গুয়াতেমালার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

Nay Pyi Taw-এর সবচেয়ে কাছের গুয়াতেমালার মিশনগুলো জাকার্তা (ইন্দোনেশিয়া, ৩,১১৫ কিলোমিটার), টোকিও (জাপান, ৪,৫৯৭ কিলোমিটার) ও জেরুজালেম (ইসরায়েল, ৬,১৭১ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমারের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে গুয়াতেমালা; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

গুয়াতেমালার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

গুয়াতেমালামিয়ানমার ই-ভিসা গুয়াতেমালার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

গুয়াতেমালা ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৩: ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিয়ানমার থেকে গুয়াতেমালায় যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গুয়াতেমালাকে স্তর ৩-এ ("ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১১ মার্চ, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গুয়াতেমালার কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ১৩ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গুয়াতেমালার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

মিয়ানমারের নাগরিকরা গুয়াতেমালায় কত দিন থাকতে পারেন

গুয়াতেমালায় মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিয়ানমারে গুয়াতেমালার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে গুয়াতেমালার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে গুয়াতেমালার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য গুয়াতেমালার প্রতিবেশী দেশ

মেক্সিকো, হন্ডুরাস ও বেলিজ যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

গুয়াতেমালার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

মিয়ানমারে যেতে গুয়াতেমালার নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

গুয়াতেমালায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া গুয়াতেমালায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিয়ানমারে কি গুয়াতেমালার দূতাবাস আছে?

না। মিয়ানমারে গুয়াতেমালার কোনো দূতাবাস নেই। গুয়াতেমালার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়, Nay Pyi Taw থেকে ৩,১১৫ কিলোমিটার দূরে।

মিয়ানমারে যেতে গুয়াতেমালার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারে যেতে গুয়াতেমালার নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গুয়াতেমালায় যেতে পারেন?

না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে গুয়াতেমালার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।