মিয়ানমারজর্জিয়া

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য জর্জিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

জর্জিয়ায় যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

মিয়ানমারের নাগরিকরা জর্জিয়ার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে জর্জিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে জর্জিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

Nay Pyi Taw-এর সবচেয়ে কাছের জর্জিয়ার মিশনগুলো নয়াদিল্লি (ভারত, ২,১৫২ কিলোমিটার), মালে (মালদ্বীপ, ৩,০০১ কিলোমিটার) ও জাকার্তা (ইন্দোনেশিয়া, ৩,১১৬ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমারের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে জর্জিয়া; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

জর্জিয়ার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

জর্জিয়ামিয়ানমার ই-ভিসা জর্জিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

জর্জিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মিয়ানমার থেকে জর্জিয়ায় যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জর্জিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১২ মার্চ, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) জর্জিয়ার কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জর্জিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।

জেনে রাখুন

মিয়ানমারের নাগরিকরা জর্জিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

জর্জিয়ায় মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিয়ানমারে জর্জিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে জর্জিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে জর্জিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য জর্জিয়ার প্রতিবেশী দেশ

আজারবাইজান ও তুরস্ক যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

জর্জিয়ার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

জর্জিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জর্জিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জর্জিয়ায় যাওয়ার আগে মিয়ানমারের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারে কি জর্জিয়ার দূতাবাস আছে?

না। মিয়ানমারে জর্জিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। জর্জিয়ার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ভারতের নয়াদিল্লিতে, Nay Pyi Taw থেকে ২,১৫২ কিলোমিটার দূরে।

মিয়ানমারে যেতে জর্জিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

জর্জিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া জর্জিয়ায় যেতে পারেন?

না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে জর্জিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।