মিয়ানমার
গাম্বিয়া
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য গাম্বিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
গাম্বিয়া ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মিয়ানমারের নাগরিকরা গাম্বিয়ার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে গাম্বিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে গাম্বিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- গাম্বিয়ার দূতাবাস, রিয়াদ৫,০৯২ km
النقرة 10, Riyadh
- গাম্বিয়ার দূতাবাস, মস্কো৬,২৫১ km
улица Коровий Вал 7, 119049 Москва
-
৬,২৬৪ km
Nay Pyi Taw-এর সবচেয়ে কাছের গাম্বিয়ার মিশনগুলো রিয়াদ (সৌদি আরব, ৫,০৯২ কিলোমিটার), মস্কো (রাশিয়া, ৬,২৫১ কিলোমিটার) ও আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া, ৬,২৬৪ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমারের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে গাম্বিয়া; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
গাম্বিয়ার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
গাম্বিয়া
মিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে গাম্বিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
গাম্বিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
গাম্বিয়ায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গাম্বিয়াকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) গাম্বিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৭ জুলাই, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গাম্বিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
মিয়ানমারের নাগরিকরা গাম্বিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
গাম্বিয়ায় মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিয়ানমারে গাম্বিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে গাম্বিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে গাম্বিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য গাম্বিয়ার প্রতিবেশী দেশ
সেনেগাল যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
গাম্বিয়ার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
গাম্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। মিয়ানমার ও গাম্বিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
গাম্বিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
গাম্বিয়া ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারে কি গাম্বিয়ার দূতাবাস আছে?
না। মিয়ানমারে গাম্বিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। গাম্বিয়ার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস সৌদি আরবের রিয়াদে, Nay Pyi Taw থেকে ৫,০৯২ কিলোমিটার দূরে।
মিয়ানমারে যেতে গাম্বিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
গাম্বিয়ার নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া গাম্বিয়ায় যেতে পারেন?
না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে গাম্বিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।