মিয়ানমার
ইসওয়াতিনি
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মিয়ানমারের নাগরিকরা ইসওয়াতিনির ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে ইসওয়াতিনির দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- ইসওয়াতিনির হাইকমিশন, কুয়ালালামপুর১,৯৪১ km
Jalan Ampang 165, Kuala Lumpur
-
৬,২৬৩ km
- ইসওয়াতিনির দূতাবাস, ব্রাসেলস৮,৪৪১ km
Avenue Winston Churchill - Winston Churchilllaan 188, Brussels
Nay Pyi Taw-এর সবচেয়ে কাছের ইসওয়াতিনির মিশনগুলো কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া, ১,৯৪১ কিলোমিটার), আদ্দিস আবাবা (ইথিওপিয়া, ৬,২৬৩ কিলোমিটার) ও ব্রাসেলস (বেলজিয়াম, ৮,৪৪১ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমারের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে ইসওয়াতিনি; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
ইসওয়াতিনির নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
ইসওয়াতিনি
মিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
ইসওয়াতিনি ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমার থেকে ইসওয়াতিনিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইসওয়াতিনিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ জুলাই, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইসওয়াতিনির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসওয়াতিনির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মিয়ানমারের নাগরিকরা ইসওয়াতিনিতে কত দিন থাকতে পারেন
ইসওয়াতিনিতে মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিয়ানমারে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে ইসওয়াতিনির সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে ইসওয়াতিনির অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য ইসওয়াতিনির প্রতিবেশী দেশ
দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ইসওয়াতিনির নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
মিয়ানমার ভ্রমণে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। মিয়ানমার ও ইসওয়াতিনির মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ইসওয়াতিনিতে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
মিয়ানমারে কি ইসওয়াতিনির দূতাবাস আছে?
না। মিয়ানমারে ইসওয়াতিনির কোনো দূতাবাস নেই। ইসওয়াতিনির সবচেয়ে কাছের হাইকমিশন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে, Nay Pyi Taw থেকে ১,৯৪১ কিলোমিটার দূরে।
মিয়ানমারে যেতে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে ইসওয়াতিনির নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইসওয়াতিনিতে যেতে পারেন?
না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ইসওয়াতিনির ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।