মিয়ানমার
আজারবাইজান
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য আজারবাইজানের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
আজারবাইজান ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মিয়ানমারের নাগরিকরা আজারবাইজানের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে আজারবাইজানের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে আজারবাইজানের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- আজারবাইজান প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, হ্যানয়১,০২২ km
Phố Lê Hồng Phong 6A, 10200 Hà Nội
- আজারবাইজান প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, ইসলামাবাদ২,৭৫৫ km
Ataturk Avenue, اسلام آباد
- আজারবাইজান প্রজাতন্ত্রের দূতাবাস, জাকার্তা৩,১১৬ km
Jalan Karang Asem Tengah 20, Jakarta
দূরত্বের হিসাবে Nay Pyi Taw থেকে আজারবাইজানের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো হ্যানয় (ভিয়েতনাম, ১,০২২ কিলোমিটার), ইসলামাবাদ (পাকিস্তান, ২,৭৫৫ কিলোমিটার) ও জাকার্তা (ইন্দোনেশিয়া, ৩,১১৬ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমার থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে আজারবাইজান; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
আজারবাইজানের নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
আজারবাইজান
মিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে আজারবাইজানের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
আজারবাইজান ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৩: ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের কিছু অংশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমার থেকে আজারবাইজানে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আজারবাইজানকে স্তর ৩-এ ("ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২৭ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) আজারবাইজানের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজারবাইজানের কিছু অংশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৫ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মিয়ানমারের নাগরিকরা আজারবাইজানে কত দিন থাকতে পারেন
আজারবাইজানে মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মিয়ানমারে আজারবাইজানের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে আজারবাইজানের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে আজারবাইজানের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য আজারবাইজানের প্রতিবেশী দেশ
জর্জিয়া ও তুরস্ক যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
আজারবাইজানের নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ
মিয়ানমার ভ্রমণে আজারবাইজানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। মিয়ানমার ও আজারবাইজানের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আজারবাইজানে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
আজারবাইজান ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারে কি আজারবাইজানের দূতাবাস আছে?
না। মিয়ানমারে আজারবাইজানের কোনো দূতাবাস নেই। আজারবাইজানের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ভিয়েতনামের হ্যানয়ে, Nay Pyi Taw থেকে ১,০২২ কিলোমিটার দূরে।
মিয়ানমারে যেতে আজারবাইজানের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে আজারবাইজানের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া আজারবাইজানে যেতে পারেন?
না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে আজারবাইজানের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।