মিয়ানমারঅ্যাঙ্গোলা

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য অ্যাঙ্গোলার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া অ্যাঙ্গোলায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

মিয়ানমারের নাগরিকরা অ্যাঙ্গোলার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী মিয়ানমারে অ্যাঙ্গোলার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে অ্যাঙ্গোলার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে Nay Pyi Taw থেকে অ্যাঙ্গোলার যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো হ্যানয় (ভিয়েতনাম, ১,০২০ কিলোমিটার), সিঙ্গাপুর (২,২১৭ কিলোমিটার) ও দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত, ৪,২২৫ কিলোমিটার) শহরে। মিয়ানমার থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে অ্যাঙ্গোলা; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

অ্যাঙ্গোলামিয়ানমার আগে থেকে ভিসা লাগে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

অ্যাঙ্গোলা ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

অ্যাঙ্গোলায় ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অ্যাঙ্গোলাকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ মার্চ, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) অ্যাঙ্গোলার কিছু অঞ্চলে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ২৮ মে, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অ্যাঙ্গোলার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মিয়ানমারের নাগরিকরা অ্যাঙ্গোলায় কত দিন থাকতে পারেন

অ্যাঙ্গোলায় মিয়ানমারের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মিয়ানমারে অ্যাঙ্গোলার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মিয়ানমারের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে অ্যাঙ্গোলার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মিয়ানমার পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে অ্যাঙ্গোলার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য অ্যাঙ্গোলার প্রতিবেশী দেশ

কঙ্গো প্রজাতন্ত্র যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের মিয়ানমার ভ্রমণ

মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। মিয়ানমার ও অ্যাঙ্গোলার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

অ্যাঙ্গোলায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া অ্যাঙ্গোলায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মিয়ানমারে কি অ্যাঙ্গোলার দূতাবাস আছে?

না। মিয়ানমারে অ্যাঙ্গোলার কোনো দূতাবাস নেই। অ্যাঙ্গোলার সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ভিয়েতনামের হ্যানয়ে, Nay Pyi Taw থেকে ১,০২০ কিলোমিটার দূরে।

মিয়ানমারে যেতে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অ্যাঙ্গোলার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া অ্যাঙ্গোলায় যেতে পারেন?

না। মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে অ্যাঙ্গোলার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।