মোজাম্বিকফ্রান্স

মোজাম্বিকের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

ফ্রান্সে যাওয়ার আগে মোজাম্বিকের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mz.ambafrance.org-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মোজাম্বিকে ফ্রান্সের মিশন

মোজাম্বিকে ফ্রান্সের একটি মিশন আছে; দূতাবাস মাপুতোতে।

ফ্রান্স: মোজাম্বিকে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১,৯৩০১,৫৮৬৩২৯১৭.২% ২৩.৫%
২০২৪ ১,৭৭১১,৩৭৭৩৭১২১.১% ২৬.৩%
২০২৫ ১,৬৯৬১,৩৪৪৩৩৭২০.০% ২৮.০%

২০২৫ সালে মোজাম্বিকে ফ্রান্সের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (মাপুতো) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,৬৯৬টি আবেদন পেয়েছে এবং ১,৩৪৪টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ২০.০%। হারটি ২০২৪ সালের (২১.১%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৪% কমেছে (২০২৪ সালে ১,৭৭১টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মোজাম্বিকে জমা পড়া আবেদনের ১৪.০% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল স্পেনের কনস্যুলেটে ৫.৯% থেকে নেদারল্যান্ডসের কনস্যুলেটে ২০.৪% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ফ্রান্সের কনস্যুলেটগুলো ১৪.২% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মোজাম্বিকে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স তৃতীয় সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মোজাম্বিকে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ফ্রান্সের নাগরিকদের মোজাম্বিক ভ্রমণ

ফ্রান্সমোজাম্বিক ভিসা লাগে না, ৩০ দিন ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য মোজাম্বিকের ভিসা

ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মোজাম্বিক থেকে ফ্রান্সে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩ নভেম্বর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

মোজাম্বিকের নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন

ফ্রান্সে মোজাম্বিকের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মোজাম্বিকের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মোজাম্বিকে আবেদন করা যায় মাপুতোতে ফ্রান্সের দূতাবাসে, অথবা ফ্রান্সের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ফ্রান্স।

ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল

ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় মোজাম্বিকের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।

মোজাম্বিকের নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে মোজাম্বিকের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ফ্রান্সের নাগরিকদের মোজাম্বিক ভ্রমণ

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ফ্রান্সের নাগরিকদের মোজাম্বিকের ভিসা লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ফ্রান্সে যেতে মোজাম্বিকের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

ফ্রান্সে যাওয়ার আগে মোজাম্বিকের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

মোজাম্বিকে ফ্রান্সের দূতাবাস কোথায়?

ফ্রান্সের দূতাবাস মাপুতোতে।

মোজাম্বিকে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৩০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ফ্রান্সের নাগরিকদের মোজাম্বিকের ভিসা লাগে না।

মোজাম্বিকের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?

না। মোজাম্বিকের নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।