মরক্কোরোমানিয়া

মরক্কোর নাগরিকদের জন্য রোমানিয়ার ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

রোমানিয়ায় যাওয়ার আগে মরক্কোর নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · rabat.mae.ro-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মরক্কোতে রোমানিয়ার মিশন

মরক্কোতে রোমানিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস রাবাতে।

রোমানিয়া: মরক্কোতে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৪ (আংশিক বছর) ৩০৫২৬৩২৮৯.৬% ৩৩.৮%
২০২৫ ৪৬৮৩৯৪৬৭১৪.৫% ৩৩.২%

২০২৫ সালে মরক্কোতে রোমানিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (রাবাত) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৪৬৮টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩৯৪টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ১৪.৫%। ২০২৪ সালের ৯.৬%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ৪.৯ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫৩% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৩০৫টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মরক্কোতে জমা পড়া আবেদনের ১৯.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১০.০% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ৭৯.১% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে রোমানিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১১.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মরক্কোতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে রোমানিয়া ১৯তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। রোমানিয়া ৩১ মার্চ ২০২৪ থেকে শেনজেন ভিসা দেওয়া শুরু করে, তাই ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান বছরের একটি অংশের। এই পরিসংখ্যানে মরক্কোতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৪–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

রোমানিয়ার নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ

রোমানিয়ামরক্কো ভিসা লাগে না, ৯০ দিন রোমানিয়ার নাগরিকদের জন্য মরক্কোর ভিসা

রোমানিয়া ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মরক্কো থেকে রোমানিয়ায় যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর রোমানিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) রোমানিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোমানিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মরক্কোর নাগরিকরা রোমানিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন

রোমানিয়ায় মরক্কোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মরক্কোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মরক্কোতে আবেদন করা যায় রাবাতে রোমানিয়ার দূতাবাসে, অথবা রোমানিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে রোমানিয়া।

রোমানিয়া ও শেনজেন অঞ্চল

রোমানিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় মরক্কোর নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; রোমানিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন রোমানিয়ার কাছেই করতে হয়।

মরক্কোর নাগরিকদের জন্য রোমানিয়ার প্রতিবেশী দেশ

হাঙ্গেরি, ইউক্রেন, বুলগেরিয়া ও সার্বিয়া যেতে মরক্কোর নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

রোমানিয়ার নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ

মরক্কোতে যেতে রোমানিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

রোমানিয়ায় যেতে মরক্কোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

রোমানিয়ায় যাওয়ার আগে মরক্কোর নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।

মরক্কোতে রোমানিয়ার দূতাবাস কোথায়?

রোমানিয়ার দূতাবাস রাবাতে।

মরক্কোতে যেতে রোমানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মরক্কোতে যেতে রোমানিয়ার নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

মরক্কোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া রোমানিয়ায় যেতে পারেন?

না। মরক্কোর নাগরিকদের আগে থেকে রোমানিয়ার ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।