মরক্কোইতালি

মরক্কোর নাগরিকদের জন্য ইতালির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মরক্কোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
৫টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ambrabat.esteri.it-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মরক্কোতে ইতালির মিশন

মরক্কোতে ইতালির সব মিশন

মরক্কোতে ইতালির ৫টি মিশন আছে; দূতাবাস রাবাতে। কনস্যুলেট: কাসাব্লাংকা। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: মারাকেশ, ফেস ও আগাদির।

ইতালি: মরক্কোতে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ১১,০৭৪৮,১৮১২,৬১৪২৩.৬% ৭৬.৬%
২০২৪ ১০,৪৭৮৭,৩৮৬৩,০৪৯২৯.১% ৭৭.৮%
২০২৫ ৭,৯৯৫৫,৫২৮২,৪৬৭৩০.৮% ৮৩.১%

২০২৫ সালে মরক্কোতে ইতালির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (কাসাব্লাংকা ও রাবাত) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৭,৯৯৫টি আবেদন পেয়েছে এবং ৫,৫২৮টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৩০.৮%। ২০২৪ সালের ২৯.১%-এর তুলনায় প্রত্যাখ্যানের হার ১.৭ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ২৪% কমেছে (২০২৪ সালে ১০,৪৭৮টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মরক্কোতে জমা পড়া আবেদনের ১৯.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১০.০% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ৭৯.১% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ইতালির কনস্যুলেটগুলো ১০.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মরক্কোতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ইতালি ষষ্ঠ সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মরক্কোতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

ইতালির নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ

ইতালিমরক্কো ভিসা লাগে না, ৯০ দিন ইতালির নাগরিকদের জন্য মরক্কোর ভিসা

ইতালি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মরক্কো থেকে ইতালিতে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতালিকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ইতালির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৯ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতালির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মরক্কোর নাগরিকরা ইতালিতে কত দিন থাকতে পারেন

ইতালিতে মরক্কোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মরক্কোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মরক্কোতে আবেদন করা যায় রাবাতে ইতালির দূতাবাসে অথবা কাসাব্লাংকা শহরের কনস্যুলেটে, অথবা ইতালির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ইতালি।

ইতালি ও শেনজেন অঞ্চল

ইতালির দেওয়া শেনজেন ভিসায় মরক্কোর নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ইতালি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ইতালির কাছেই করতে হয়।

মরক্কোর নাগরিকদের জন্য ইতালির প্রতিবেশী দেশ

সুইজারল্যান্ড, ভ্যাটিকান, স্লোভেনিয়া, সান মারিনো, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া যেতে মরক্কোর নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

ইতালির নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ইতালির নাগরিকদের মরক্কোর ভিসা লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ইতালিতে যেতে মরক্কোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মরক্কোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মরক্কোতে ইতালির দূতাবাস কোথায়?

ইতালির দূতাবাস রাবাতে, আর কাসাব্লাংকা শহরে কনস্যুলেটও আছে।

মরক্কোতে যেতে ইতালির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ইতালির নাগরিকদের মরক্কোর ভিসা লাগে না।

মরক্কোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ইতালিতে যেতে পারেন?

না। মরক্কোর নাগরিকদের আগে থেকে ইতালির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।