মরক্কোহাঙ্গেরি

মরক্কোর নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

হাঙ্গেরি ভ্রমণে মরক্কোর নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · rabat.mfa.gov.hu-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মরক্কোতে হাঙ্গেরির মিশন

  • হাঙ্গেরির দূতাবাস, রাবাত

    দূতাবাস · রাবাত

    Rue Ait Melloul 17, Rabat

    আজ · বন্ধ

মরক্কোতে হাঙ্গেরির একটি মিশন আছে; দূতাবাস রাবাতে।

হাঙ্গেরি: মরক্কোতে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৭৬২৪৯১২৭১৩৫.৫% ৩১.২%
২০২৪ ৭৮৮৩২৩৪৬৫৫৮.৯% ২০.৭%
২০২৫ ৮২০৩৩৯৪৭৮৫৮.৪% ২০.১%

২০২৫ সালে মরক্কোতে হাঙ্গেরির দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (রাবাত) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৮২০টি আবেদন পেয়েছে এবং ৩৩৯টি ভিসা দিয়েছে। প্রত্যাখ্যানের হার ছিল ৫৮.৪%। হারটি ২০২৪ সালের (৫৮.৯%) প্রায় সমান। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৪% বেড়েছে (২০২৪ সালে ৭৮৮টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মরক্কোতে জমা পড়া আবেদনের ১৯.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১০.০% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ৭৯.১% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে হাঙ্গেরির কনস্যুলেটগুলো ১৩.০% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মরক্কোতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে হাঙ্গেরি ১৭তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মরক্কোতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

হাঙ্গেরির নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ

হাঙ্গেরিমরক্কো ভিসা লাগে না, ৯০ দিন হাঙ্গেরির নাগরিকদের জন্য মরক্কোর ভিসা

হাঙ্গেরি ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মরক্কো থেকে হাঙ্গেরিতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর হাঙ্গেরিকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৪ এপ্রিল, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হাঙ্গেরির জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মরক্কোর নাগরিকরা হাঙ্গেরিতে কত দিন থাকতে পারেন

হাঙ্গেরিতে মরক্কোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মরক্কোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মরক্কোতে আবেদন করা যায় রাবাতে হাঙ্গেরির দূতাবাসে, অথবা হাঙ্গেরির নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে হাঙ্গেরি।

হাঙ্গেরি ও শেনজেন অঞ্চল

হাঙ্গেরির দেওয়া শেনজেন ভিসায় মরক্কোর নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; হাঙ্গেরি যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন হাঙ্গেরির কাছেই করতে হয়।

মরক্কোর নাগরিকদের জন্য হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ

স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, রোমানিয়া, ইউক্রেন, ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া ও সার্বিয়া যেতে মরক্কোর নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

হাঙ্গেরির নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ

মরক্কোতে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

হাঙ্গেরিতে যেতে মরক্কোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

হাঙ্গেরি ভ্রমণে মরক্কোর নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

মরক্কোতে হাঙ্গেরির দূতাবাস কোথায়?

হাঙ্গেরির দূতাবাস রাবাতে।

মরক্কোতে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মরক্কোতে যেতে হাঙ্গেরির নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ৯০ দিনের বেশি না হয়।

মরক্কোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া হাঙ্গেরিতে যেতে পারেন?

না। মরক্কোর নাগরিকদের আগে থেকে হাঙ্গেরির ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।