মরক্কো
ক্রোয়েশিয়া
মরক্কোর নাগরিকদের জন্য ক্রোয়েশিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মরক্কোর নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · ma.mvep.hr-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
মরক্কোতে ক্রোয়েশিয়ার মিশন
মরক্কোতে ক্রোয়েশিয়ার একটি মিশন আছে; দূতাবাস রাবাতে।
ক্রোয়েশিয়া: মরক্কোতে ভিসার সিদ্ধান্ত
| বছর | আবেদন | মঞ্জুর | প্রত্যাখ্যাত | প্রত্যাখ্যানের হার | মাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ |
|---|---|---|---|---|---|
| ২০২৩ | ৮৬১ | ৩০৩ | ৫২২ | ৬৩.২% | ৪৬.৫% |
| ২০২৪ | ১,১১০ | ২৫৩ | ৮৩৯ | ৭৬.৮% | ৪৬.২% |
| ২০২৫ | ১,০৩৭ | ২১৭ | ৭৯৩ | ৭৮.৪% | ৭৭.০% |
২০২৫ সালে মরক্কোতে ক্রোয়েশিয়ার দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (রাবাত) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ১,০৩৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ২১৭টি ভিসা দিয়েছে। ৭৮.৪% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালে হার ছিল ৭৬.৮%, অর্থাৎ এটি ১.৬ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৭% কমেছে (২০২৪ সালে ১,১১০টি আবেদন)।
তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে মরক্কোতে জমা পড়া আবেদনের ১৯.২% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল ফ্রান্সের কনস্যুলেটে ১০.০% থেকে মাল্টার কনস্যুলেটে ৭৯.১% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে ক্রোয়েশিয়ার কনস্যুলেটগুলো ১৮.৫% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। মরক্কোতে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে ক্রোয়েশিয়া ১৫তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।
আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে মরক্কোতে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।
উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ
ক্রোয়েশিয়া
মরক্কো ভিসা লাগে না, ৯০ দিন ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকদের জন্য মরক্কোর ভিসা
ক্রোয়েশিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মরক্কো থেকে ক্রোয়েশিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ক্রোয়েশিয়াকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ক্রোয়েশিয়ার ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ক্রোয়েশিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
মরক্কোর নাগরিকরা ক্রোয়েশিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
ক্রোয়েশিয়ায় মরক্কোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মরক্কোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মরক্কোতে আবেদন করা যায় রাবাতে ক্রোয়েশিয়ার দূতাবাসে, অথবা ক্রোয়েশিয়ার নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে ক্রোয়েশিয়া।
ক্রোয়েশিয়া ও শেনজেন অঞ্চল
ক্রোয়েশিয়ার দেওয়া শেনজেন ভিসায় মরক্কোর নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ক্রোয়েশিয়া যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ক্রোয়েশিয়ার কাছেই করতে হয়।
মরক্কোর নাগরিকদের জন্য ক্রোয়েশিয়ার প্রতিবেশী দেশ
হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, মন্টিনিগ্রো ও সার্বিয়া যেতে মরক্কোর নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকদের মরক্কো ভ্রমণ
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকদের মরক্কোর ভিসা লাগে না।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ক্রোয়েশিয়ায় যেতে মরক্কোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মরক্কোর নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
মরক্কোতে ক্রোয়েশিয়ার দূতাবাস কোথায়?
ক্রোয়েশিয়ার দূতাবাস রাবাতে।
মরক্কোতে যেতে ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য ক্রোয়েশিয়ার নাগরিকদের মরক্কোর ভিসা লাগে না।
মরক্কোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ক্রোয়েশিয়ায় যেতে পারেন?
না। মরক্কোর নাগরিকদের আগে থেকে ক্রোয়েশিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।