মন্টিনিগ্রোযুক্তরাষ্ট্র

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · me.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

মন্টিনিগ্রোতে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন

মন্টিনিগ্রোতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস পডগোরিৎসায়।

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা

মঞ্জুর করা ভিসাঅর্থবছর ২০২৪অর্থবছর ২০২৫
ভ্রমণ ও ব্যবসা (B)৩,৬৫৬৩,৩১৩
শিক্ষার্থী (F, M)১৪৩১৩০
এক্সচেঞ্জ (J)৮৮৩৬২০
চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি)৯৪৯৯
ট্রানজিট ও ক্রু (C, D)১,৮২৮১,৬০২
কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G)২২৭১৮৩
বাগদত্ত (K)১৮৮
মোট৬,৮৪৯৫,৯৫৫
B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার৩৬.৫%৩৩.৪%

অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের ৫,৯৫৫টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১০৫তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৫৬%; এরপর ট্রানজিট ও ক্রু (২৭%) ও এক্সচেঞ্জ (১০%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (৬,৮৪৯) চেয়ে ১৩% কম।

অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের ২,১৫৫টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭% কম।

ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৩৩.৪% (অর্থবছর ২০২৪: ৩৬.৫%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।

এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু মন্টিনিগ্রোতে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।

উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মন্টিনিগ্রো ভ্রমণ

যুক্তরাষ্ট্রমন্টিনিগ্রো ভিসা লাগে না, ৯০ দিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য মন্টিনিগ্রোর ভিসা

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ

  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মন্টিনিগ্রো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন

যুক্তরাষ্ট্রে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মন্টিনিগ্রোতে আবেদন করা যায় পডগোরিৎসায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ

কিউবা যেতে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের ভিসা লাগে না। কানাডা ও মেক্সিকো যেতে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মন্টিনিগ্রো ভ্রমণ

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মন্টিনিগ্রোর ভিসা লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

যুক্তরাষ্ট্রে যেতে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।

মন্টিনিগ্রোতে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস পডগোরিৎসায়।

মন্টিনিগ্রোতে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মন্টিনিগ্রোর ভিসা লাগে না।

মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?

না। মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।