মন্টিনিগ্রো
মিয়ানমার
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মন্টিনিগ্রোতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বেলগ্রেড২৭৯ km
Кнеза Милоша 72, Belgrade
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স৬২৩ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ভিয়েনা৬৮১ km
Donau-City-Straße 6, 1220 Wien
পডগোরিৎসার সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো বেলগ্রেড (সার্বিয়া, ২৭৯ কিলোমিটার), এথেন্স (গ্রিস, ৬২৩ কিলোমিটার) ও ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া, ৬৮১ কিলোমিটার) শহরে। মন্টিনিগ্রোর বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের মন্টিনিগ্রো ভ্রমণ
মিয়ানমার
মন্টিনিগ্রো আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য মন্টিনিগ্রোর ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মন্টিনিগ্রো থেকে মিয়ানমারে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মন্টিনিগ্রোতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মন্টিনিগ্রো পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন যেতে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের মন্টিনিগ্রো ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মন্টিনিগ্রোতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। মন্টিনিগ্রো ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
মন্টিনিগ্রোতে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। মন্টিনিগ্রোতে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস সার্বিয়ার বেলগ্রেডে, পডগোরিৎসা থেকে ২৭৯ কিলোমিটার দূরে।
মন্টিনিগ্রোতে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মন্টিনিগ্রোতে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
মন্টিনিগ্রোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। মন্টিনিগ্রোর নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।