মাইক্রোনেশিয়া
মিয়ানমার
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোনেশিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
-
৩,৭০৩ km
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ম্যানিলা৪,১৪০ km
Amorsolo Street 152, Makati
-
৪,৬৩৩ km
পালিকিরের সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো টোকিও (জাপান, ৩,৭০৩ কিলোমিটার), ম্যানিলা (ফিলিপাইন, ৪,১৪০ কিলোমিটার) ও সিউল (দক্ষিণ কোরিয়া, ৪,৬৩৩ কিলোমিটার) শহরে। মাইক্রোনেশিয়ার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ
মিয়ানমার
মাইক্রোনেশিয়া ভিসা লাগে না, ৩০ দিন মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য মাইক্রোনেশিয়ার ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমারে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মাইক্রোনেশিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মাইক্রোনেশিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন যেতে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই মাইক্রোনেশিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মাইক্রোনেশিয়ায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। মাইক্রোনেশিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস জাপানের টোকিওতে, পালিকির থেকে ৩,৭০৩ কিলোমিটার দূরে।
মাইক্রোনেশিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই মাইক্রোনেশিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।