মাইক্রোনেশিয়া
লেসোথো
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের জন্য লেসোথোর ভিসা
প্রবেশের শর্ত
লেসোথো ভ্রমণে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা লেসোথোর ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোনেশিয়ায় লেসোথোর কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে লেসোথোর দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- লেসোথোর কনস্যুলেট জেনারেল, নিউক্যাসল৪,৪৮৩ km
Corona Street 39, Newcastle
-
৬,২৬০ km
- লেসোথোর হাইকমিশন, অটোয়া১২,১১৭ km
Albert Street 130, Ottawa
দূরত্বের হিসাবে পালিকির থেকে লেসোথোর যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো নিউক্যাসল (অস্ট্রেলিয়া, ৪,৪৮৩ কিলোমিটার), কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া, ৬,২৬০ কিলোমিটার) ও অটোয়া (কানাডা, ১২,১১৭ কিলোমিটার) শহরে। মাইক্রোনেশিয়া থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে লেসোথো; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
লেসোথোর নাগরিকদের মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ
লেসোথো
মাইক্রোনেশিয়া ভিসা লাগে না, ৩০ দিন লেসোথোর নাগরিকদের জন্য মাইক্রোনেশিয়ার ভিসা
লেসোথো ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মাইক্রোনেশিয়া থেকে লেসোথোতে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর লেসোথোকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ১৬ জুন, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) লেসোথোর ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় লেসোথোর জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা লেসোথোতে কত দিন থাকতে পারেন
লেসোথোতে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মাইক্রোনেশিয়ায় লেসোথোর কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে লেসোথোর সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মাইক্রোনেশিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে লেসোথোর অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের জন্য লেসোথোর প্রতিবেশী দেশ
দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
লেসোথোর নাগরিকদের মাইক্রোনেশিয়া ভ্রমণ
লেসোথোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই মাইক্রোনেশিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
লেসোথোতে যেতে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লেসোথো ভ্রমণে মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মাইক্রোনেশিয়ায় কি লেসোথোর দূতাবাস আছে?
না। মাইক্রোনেশিয়ায় লেসোথোর কোনো দূতাবাস নেই। লেসোথোর সবচেয়ে কাছের কনস্যুলেট জেনারেল অস্ট্রেলিয়ার নিউক্যাসলে, পালিকির থেকে ৪,৪৮৩ কিলোমিটার দূরে।
মাইক্রোনেশিয়ায় যেতে লেসোথোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লেসোথোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই মাইক্রোনেশিয়ায় যেতে এবং সেখানে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারেন।
মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া লেসোথোতে যেতে পারেন?
না। মাইক্রোনেশিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে লেসোথোর ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।