মরিতানিয়া
যুক্তরাষ্ট্র
মরিতানিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · mr.usembassy.gov-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন
মরিতানিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিশন
মরিতানিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি মিশন আছে; দূতাবাস নুয়াকশটে।
মরিতানিয়ার নাগরিকদের দেওয়া মার্কিন ভিসা
| মঞ্জুর করা ভিসা | অর্থবছর ২০২৪ | অর্থবছর ২০২৫ |
|---|---|---|
| ভ্রমণ ও ব্যবসা (B) | ৫৯৯ | ৭৬৬ |
| শিক্ষার্থী (F, M) | ১৬ | ১০ |
| এক্সচেঞ্জ (J) | ২৩ | ৩০ |
| চাকরি ও চুক্তি (H, L, O, E ইত্যাদি) | ১৫ | ২৪ |
| ট্রানজিট ও ক্রু (C, D) | ১ | ১ |
| কূটনৈতিক ও সরকারি (A, G) | ২৭৬ | ২৬৩ |
| বাগদত্ত (K) | ৫ | ৪ |
| মোট | ৯৩৫ | ১,০৯৮ |
| B ভিসার সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার | ৭০.১% | ৬৭.৬% |
অর্থবছর ২০২৫-এ (অক্টোবর ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্র মরিতানিয়ার নাগরিকদের ১,০৯৮টি অস্থায়ী ভিসা দিয়েছে, যা নথিভুক্ত ২০৬টি জাতীয়তার মধ্যে ১৬৩তম সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বড় অংশ ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসা (B1/B2), ৭০%; এরপর কূটনৈতিক ও সরকারি (২৪%) ও এক্সচেঞ্জ (৩%) ভিসা। সংখ্যাটি অর্থবছর ২০২৪-এর (৯৩৫) চেয়ে ১৭% বেশি।
অক্টোবর ২০২৫ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মরিতানিয়ার নাগরিকদের ১৫১টি ভিসা দেওয়া হয়েছে। এটি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৭২% কম।
ভ্রমণ ও ব্যবসার ভিসায় (B1/B2) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর অর্থবছর ২০২৫-এ মরিতানিয়ার নাগরিকদের সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার দেখিয়েছে ৬৭.৬% (অর্থবছর ২০২৪: ৭০.১%)। সমন্বিত হারে সেসব প্রত্যাখ্যান মঞ্জুর হিসেবে গোনা হয়, যেগুলো পরে বাতিল হয়েছে, যেমন বাড়তি কাগজ দেওয়ার পর। ৩%-এর কম হার ভিসা ওয়েভার প্রোগ্রামে (Visa Waiver Program) যুক্ত হওয়ার শর্তগুলোর একটি।
এই পরিসংখ্যানে সারা বিশ্বে মরিতানিয়ার নাগরিকদের দেওয়া ভিসা আছে, শুধু মরিতানিয়ায় মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট থেকে দেওয়া ভিসা নয়।
উৎস: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অস্থায়ী (নন-ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার মাসিক পরিসংখ্যান ও সমন্বিত প্রত্যাখ্যানের হার (পাবলিক ডোমেইন)। মার্কিন অর্থবছর অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মরিতানিয়া ভ্রমণ
যুক্তরাষ্ট্র
মরিতানিয়া ই-ভিসা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য মরিতানিয়ার ভিসা
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের পরামর্শ
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মরিতানিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে অফিশিয়াল ভ্রমণ পরামর্শ জেনে নেওয়া ভালো। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ৩০ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মরিতানিয়ার নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে কত দিন থাকতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রে মরিতানিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মরিতানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মরিতানিয়ায় আবেদন করা যায় নুয়াকশটে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে, অথবা যুক্তরাষ্ট্রের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে যুক্তরাষ্ট্র।
মরিতানিয়ার নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেশী দেশ
কানাডা ও মেক্সিকো যেতে মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মরিতানিয়া ভ্রমণ
মরিতানিয়ায় যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে মরিতানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
মরিতানিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোথায়?
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস নুয়াকশটে।
মরিতানিয়ায় যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মরিতানিয়ায় যেতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ভিসা লাগে, তবে ই-ভিসার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়; এতে ৯০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।
মরিতানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন?
না। মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।