মরিতানিয়ামিয়ানমার

মরিতানিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

মিয়ানমার ভ্রমণে মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
আপনার দেশে দূতাবাস নেই

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index

মরিতানিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন

আমাদের তথ্য অনুযায়ী মরিতানিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।

দূরত্বের হিসাবে নুয়াকশট থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো প্যারিস (ফ্রান্স, ৩,৭৯৮ কিলোমিটার), লন্ডন (যুক্তরাজ্য, ৩,৯৬৮ কিলোমিটার) ও ব্রাসেলস (বেলজিয়াম, ৪,০৬৫ কিলোমিটার) শহরে। মরিতানিয়ার বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।

মিয়ানমারের নাগরিকদের মরিতানিয়া ভ্রমণ

মিয়ানমারমরিতানিয়া ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য মরিতানিয়ার ভিসা

মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

মরিতানিয়া থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।

জেনে রাখুন

মরিতানিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন

মিয়ানমারে মরিতানিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

মরিতানিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

মরিতানিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মরিতানিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মরিতানিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।

মরিতানিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ

চীন ও ভারত যেতে মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

মিয়ানমারের নাগরিকদের মরিতানিয়া ভ্রমণ

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য মরিতানিয়ার ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মিয়ানমারে যেতে মরিতানিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমার ভ্রমণে মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

মরিতানিয়ায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?

না। মরিতানিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ফ্রান্সের প্যারিসে, নুয়াকশট থেকে ৩,৭৯৮ কিলোমিটার দূরে।

মরিতানিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য মরিতানিয়ার ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায় এবং ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থানের জন্য দেওয়া হয়।

মরিতানিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?

না। মরিতানিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।