মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
উত্তর কোরিয়া
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের জন্য উত্তর কোরিয়ার ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া উত্তর কোরিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা উত্তর কোরিয়ার ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে উত্তর কোরিয়ার কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- গণতান্ত্রিক গণপ্রজাতন্ত্রী কোরিয়ার কনস্যুলেট জেনারেল, ভ্লাদিভোস্টক৫,৫৫৫ km
Невская улица 12А, 690048 Владивосток
-
৬,০৮৩ km
-
৬,৩৪২ km
দূরত্বের হিসাবে মাজুরো থেকে উত্তর কোরিয়ার যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো ভ্লাদিভোস্টক (রাশিয়া, ৫,৫৫৫ কিলোমিটার), শেনইয়াং (চীন, ৬,০৮৩ কিলোমিটার) ও হংকং (৬,৩৪২ কিলোমিটার) শহরে। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে উত্তর কোরিয়া; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণ
উত্তর কোরিয়া
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ আগে থেকে ভিসা লাগে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের জন্য মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের ভিসা
উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো দেশে শুধু অতি জরুরি ভ্রমণ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ থেকে উত্তর কোরিয়ায় ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উত্তর কোরিয়াকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ২৮ এপ্রিল, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পুরো উত্তর কোরিয়ায় শুধু অতি জরুরি ভ্রমণের পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উত্তর কোরিয়ার জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা উত্তর কোরিয়ায় কত দিন থাকতে পারেন
উত্তর কোরিয়ায় মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে উত্তর কোরিয়ার কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে উত্তর কোরিয়ার সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে উত্তর কোরিয়ার অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের জন্য উত্তর কোরিয়ার প্রতিবেশী দেশ
দক্ষিণ কোরিয়া যেতে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের ভিসা লাগে না। চীন ও রাশিয়া যেতে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ভ্রমণ
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আগে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
উত্তর কোরিয়ায় যেতে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া উত্তর কোরিয়ায় যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে কি উত্তর কোরিয়ার দূতাবাস আছে?
না। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে উত্তর কোরিয়ার কোনো দূতাবাস নেই। উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে কাছের কনস্যুলেট জেনারেল রাশিয়ার ভ্লাদিভোস্টকে, মাজুরো থেকে ৫,৫৫৫ কিলোমিটার দূরে।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যেতে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে যাওয়ার আগে উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া উত্তর কোরিয়ায় যেতে পারেন?
না। মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের নাগরিকদের আগে থেকে উত্তর কোরিয়ার ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।