লিখটেনস্টাইন
মিয়ানমার
লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
লিখটেনস্টাইনের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী লিখটেনস্টাইনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, প্রাগ৪৮৭ km
Václavské náměstí 1282/51, Prague
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ভিয়েনা৫৩০ km
Donau-City-Straße 6, 1220 Wien
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ব্রাসেলস৫৫৭ km
Boulevard Général Wahis, 9, 1030 Schaerbeek, Brussels
দূরত্বের হিসাবে ভাদুৎস থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো প্রাগ (চেক প্রজাতন্ত্র, ৪৮৭ কিলোমিটার), ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া, ৫৩০ কিলোমিটার) ও ব্রাসেলস (বেলজিয়াম, ৫৫৭ কিলোমিটার) শহরে। লিখটেনস্টাইনের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের লিখটেনস্টাইন ভ্রমণ
মিয়ানমার
লিখটেনস্টাইন আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য লিখটেনস্টাইনের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
লিখটেনস্টাইন থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ তার নিজের নাগরিকদের জন্য লেখা।
জেনে রাখুন
লিখটেনস্টাইনের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
লিখটেনস্টাইনের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লিখটেনস্টাইনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে লিখটেনস্টাইন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন ও থাইল্যান্ড যেতে লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের ভিসা লাগে না।
মিয়ানমারের নাগরিকদের লিখটেনস্টাইন ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া লিখটেনস্টাইনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে। লিখটেনস্টাইন ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারে যাওয়ার আগে লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের ভিসা নিতে হয়।
লিখটেনস্টাইনে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। লিখটেনস্টাইনে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস চেক প্রজাতন্ত্রের প্রাগে, ভাদুৎস থেকে ৪৮৭ কিলোমিটার দূরে।
লিখটেনস্টাইনে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া লিখটেনস্টাইনে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
লিখটেনস্টাইনের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। লিখটেনস্টাইনের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।