লিবিয়া
মিয়ানমার
লিবিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
মিয়ানমার ভ্রমণে লিবিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
লিবিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী লিবিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স১,১০০ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বেলগ্রেড১,৪৬৫ km
Кнеза Милоша 72, Belgrade
- মিয়ানমারের দূতাবাস, ভিয়েনা১,৭২৮ km
Donau-City-Straße 6, 1220 Wien
ত্রিপোলির সবচেয়ে কাছের মিয়ানমারের মিশনগুলো এথেন্স (গ্রিস, ১,১০০ কিলোমিটার), বেলগ্রেড (সার্বিয়া, ১,৪৬৫ কিলোমিটার) ও ভিয়েনা (অস্ট্রিয়া, ১,৭২৮ কিলোমিটার) শহরে। লিবিয়া থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে মিয়ানমার; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের লিবিয়া ভ্রমণ
মিয়ানমার
লিবিয়া ই-ভিসা মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
লিবিয়া থেকে মিয়ানমারে ভ্রমণ নিয়ে প্রকাশিত ভ্রমণ পরামর্শ এ রকম। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
লিবিয়ার নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে লিবিয়ার নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
লিবিয়ার নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লিবিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই লিবিয়ার নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে লিবিয়া পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
লিবিয়ার নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন, লাওস, বাংলাদেশ ও ভারত যেতে লিবিয়ার নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের লিবিয়া ভ্রমণ
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে লিবিয়ার নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমার ভ্রমণে লিবিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
লিবিয়ায় কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। লিবিয়ায় মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের কনস্যুলেট গ্রিসের এথেন্সে, ত্রিপোলি থেকে ১,১০০ কিলোমিটার দূরে।
লিবিয়ায় যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য লিবিয়ার ভিসা বাধ্যতামূলক, যা অনলাইনে ই-ভিসা হিসেবে পাওয়া যায়।
লিবিয়ার নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। লিবিয়ার নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।