লেসোথো
ফ্রান্স
লেসোথোর নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
লেসোথোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- ১টি মিশন
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
লেসোথোতে ফ্রান্সের মিশন
- ফ্রান্সের অনারারি কনস্যুলেট, মাসেরু
Kingsway, Maseru
- ফরাসি প্রজাতন্ত্রের কনস্যুলেট জেনারেল, জোহানেসবার্গ৩৫০ km
Rosebank Corner Building, 3ème étage, 191 Jan Smuts Avenue, 2193 Parktown North, Randburg, 2196 Johannesburg
লেসোথোতে ফ্রান্সের একটি মিশন আছে। অনারারি কনস্যুলেট, যেগুলো সাধারণত ভিসার আবেদন নেয় না: মাসেরু।
এখানে ব্যবহৃত অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকা অনুযায়ী লেসোথোর দায়িত্বে আছে ফ্রান্সের জোহানেসবার্গে অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল (দক্ষিণ আফ্রিকা, মাসেরু থেকে ৩৫০ কিলোমিটার)। লেসোথো থেকে আসা আবেদন কোন মিশনে জমা পড়বে, তা নির্ধারণ করে ফ্রান্স; অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টাল থেকে তা জেনে নিন।
ফ্রান্সের নাগরিকদের লেসোথো ভ্রমণ
ফ্রান্স
লেসোথো ভিসা লাগে না, ১৪ দিন ফ্রান্সের নাগরিকদের জন্য লেসোথোর ভিসা
ফ্রান্স ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ২: বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
ফ্রান্সে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন লেসোথোর নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ফ্রান্সকে স্তর ২-এ ("বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ফ্রান্সের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ২২ অক্টোবর, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ফ্রান্সের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২৮ অক্টোবর, ২০২৬)।
জেনে রাখুন
লেসোথোর নাগরিকরা ফ্রান্সে কত দিন থাকতে পারেন
ফ্রান্সে লেসোথোর নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
লেসোথোর নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লেসোথোতে ফ্রান্সের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই, আর মাসেরু শহরের অনারারি কনস্যুলেট সাধারণত ভিসা দেয় না। তাই লেসোথোর নাগরিকদের আবেদন করতে হবে ফ্রান্সের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে লেসোথো পড়ে, অথবা সেই শেনজেন দেশের মাধ্যমে, যে ফ্রান্সের পক্ষে ভিসার আবেদন নেয়; সঠিক জায়গা জানা যাবে ফ্রান্সের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
ফ্রান্স ও শেনজেন অঞ্চল
ফ্রান্সের দেওয়া শেনজেন ভিসায় লেসোথোর নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; ফ্রান্স যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন ফ্রান্সের কাছেই করতে হয়।
লেসোথোর নাগরিকদের জন্য ফ্রান্সের প্রতিবেশী দেশ
সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম, লাক্সেমবার্গ, ইতালি, আন্ডোরা, মোনাকো ও স্পেন যেতে লেসোথোর নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
ফ্রান্সের নাগরিকদের লেসোথো ভ্রমণ
লেসোথোতে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৪ দিনের বেশি না হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্রান্সে যেতে লেসোথোর নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লেসোথোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
লেসোথোতে কি ফ্রান্সের দূতাবাস আছে?
না। লেসোথোতে ফ্রান্সের কোনো দূতাবাস নেই; শুধু মাসেরু শহরে অনারারি কনস্যুলেট আছে। অফিশিয়াল কূটনৈতিক তালিকা অনুযায়ী লেসোথোর দায়িত্বে আছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অবস্থিত কনস্যুলেট জেনারেল।
লেসোথোতে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লেসোথোতে যেতে ফ্রান্সের নাগরিকদের ভিসা লাগে না, যদি অবস্থান ১৪ দিনের বেশি না হয়।
লেসোথোর নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া ফ্রান্সে যেতে পারেন?
না। লেসোথোর নাগরিকদের আগে থেকে ফ্রান্সের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।