লেবাননপোল্যান্ড

লেবাননের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের ভিসা

প্রবেশের শর্ত

আগে থেকে ভিসা লাগে

পোল্যান্ড ভ্রমণে লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন কোথায় করবেন
১টি মিশন

৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index · gov.pl-এ আবার নিশ্চিত হয়ে নিন

লেবাননে পোল্যান্ডের মিশন

লেবাননে পোল্যান্ডের একটি মিশন আছে; দূতাবাস বৈরুতে।

পোল্যান্ড: লেবাননে ভিসার সিদ্ধান্ত

বছরআবেদনমঞ্জুরপ্রত্যাখ্যাতপ্রত্যাখ্যানের হারমাল্টিপল-এন্ট্রি ভিসার অংশ
২০২৩ ৯৩৮৬৭০২৬৫২৭.৭% ৪৪.২%
২০২৪ ৮০১৬৩৭১৫৫১৯.১% ৪৩.৮%
২০২৫ ৭৫৭৬০২১৪৯১৯.৪% ৪৬.৮%

২০২৫ সালে লেবাননে পোল্যান্ডের দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলো (বৈরুত) স্বল্পমেয়াদি শেনজেন ভিসার ৭৫৭টি আবেদন পেয়েছে এবং ৬০২টি ভিসা দিয়েছে। ১৯.৪% আবেদনে ভিসা মেলেনি। ২০২৪ সালেও হার প্রায় এ রকমই ছিল: ১৯.১%। ২০২৪ সালের তুলনায় আবেদন ৫% কমেছে (২০২৪ সালে ৮০১টি আবেদন)।

তুলনার জন্য, একই বছর সব শেনজেন দেশ মিলে লেবাননে জমা পড়া আবেদনের ১৭.৩% প্রত্যাখ্যান করেছে। এই হার ছিল বুলগেরিয়ার কনস্যুলেটে ৪.৬% থেকে জার্মানির কনস্যুলেটে ৩৮.৬% পর্যন্ত। সারা বিশ্বে পোল্যান্ডের কনস্যুলেটগুলো ১৫.৮% আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। লেবাননে শেনজেন দেশগুলোর মধ্যে পোল্যান্ড ১৩তম সর্বোচ্চ আবেদন পেয়েছে।

আবেদন করতে হয় সেই শেনজেন দেশে, যেটি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য (যেখানে সবচেয়ে বেশি দিন থাকবেন বা যেটি ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য; প্রধান গন্তব্য না থাকলে প্রথম প্রবেশের দেশ), তাই অন্য কোনো দেশের প্রত্যাখ্যানের হার কম হলেও সেখানে আবেদন করার কারণ নেই। এই পরিসংখ্যানে লেবাননে সব জাতীয়তার আবেদনকারীর আবেদন আছে; বেশির ভাগই সেই দেশের নাগরিক, তবে অন্য দেশের বাসিন্দারাও আছেন।

উৎস: ইউরোপীয় কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও অভিবাসন মহাপরিদপ্তর, কনস্যুলেটভিত্তিক ভিসা পরিসংখ্যান ২০২৩–২০২৫ (© ইউরোপীয় ইউনিয়ন, CC BY 4.0 অনুযায়ী পুনর্ব্যবহার)। স্বল্পমেয়াদি ভিসা (টাইপ C)। এই পরিসংখ্যান কোথা থেকে আসে

পোল্যান্ডের নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণ

পোল্যান্ডলেবানন অন-অ্যারাইভাল ভিসা পোল্যান্ডের নাগরিকদের জন্য লেবাননের ভিসা

পোল্যান্ড ভ্রমণের পরামর্শ

  • মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ১: স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন
  • যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ নেই
  • জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ভ্রমণ সতর্কতা নেই

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।

পোল্যান্ডে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন লেবাননের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পোল্যান্ডকে স্তর ১-এ ("স্বাভাবিক সতর্কতা অবলম্বন করুন") রেখেছে (হালনাগাদ ৪ জুন, ২০২৫)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) পোল্যান্ডের ক্ষেত্রে ভ্রমণের বিরুদ্ধে কোনো পরামর্শ দেয় না (হালনাগাদ ১১ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পোল্যান্ডের জন্য কোনো ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেনি (হালনাগাদ ২০ অক্টোবর, ২০২৬)।

জেনে রাখুন

লেবাননের নাগরিকরা পোল্যান্ডে কত দিন থাকতে পারেন

পোল্যান্ডে লেবাননের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।

লেবাননের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন

লেবাননে আবেদন করা যায় বৈরুতে পোল্যান্ডের দূতাবাসে, অথবা পোল্যান্ডের নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্রে; ফি, কাগজপত্র ও প্রক্রিয়াকরণের সময় ঠিক করে পোল্যান্ড।

পোল্যান্ড ও শেনজেন অঞ্চল

পোল্যান্ডের দেওয়া শেনজেন ভিসায় লেবাননের নাগরিকরা সব শেনজেন দেশে যেতে পারেন; পোল্যান্ড যদি ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য হয়, তাহলে আবেদন পোল্যান্ডের কাছেই করতে হয়।

লেবাননের নাগরিকদের জন্য পোল্যান্ডের প্রতিবেশী দেশ

জার্মানি, লিথুয়ানিয়া, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, বেলারুশ, ইউক্রেন ও রাশিয়া যেতে লেবাননের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।

পোল্যান্ডের নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণ

পোল্যান্ডের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে লেবাননের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পোল্যান্ডে যেতে লেবাননের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পোল্যান্ড ভ্রমণে লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।

লেবাননে পোল্যান্ডের দূতাবাস কোথায়?

পোল্যান্ডের দূতাবাস বৈরুতে।

লেবাননে যেতে পোল্যান্ডের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?

পোল্যান্ডের নাগরিকরা বিমানবন্দর বা স্থলসীমান্তে লেবাননের ভিসা নিতে পারেন; এই ভিসায় ৩০ দিন পর্যন্ত থাকা যায়।

লেবাননের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া পোল্যান্ডে যেতে পারেন?

না। লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে পোল্যান্ডের ভিসা নিতে হয়।

ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।