লেবানন
মিয়ানমার
লেবাননের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের ভিসা
প্রবেশের শর্ত
লেবাননের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
- আবেদন কোথায় করবেন
- আপনার দেশে দূতাবাস নেই
৭ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে যাচাই · Passport Index
লেবাননের নাগরিকরা মিয়ানমারের ভিসার জন্য কোথায় আবেদন করবেন
আমাদের তথ্য অনুযায়ী লেবাননে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা কনস্যুলেট নেই। সাধারণত আবেদন করতে হয় কোনো প্রতিবেশী দেশে মিয়ানমারের দূতাবাসে, অথবা অনলাইনে।
- মিয়ানমারের দূতাবাস, তেল আবিব২১৫ km
יחזקאל קויפמן 2, Tel Aviv
- মিয়ানমারের কনস্যুলেট, এথেন্স১,১৫৮ km
Σκουζέ 10, Πειραιάς
- মিয়ানমারের দূতাবাস, বেলগ্রেড১,৭৬৮ km
Кнеза Милоша 72, Belgrade
দূরত্বের হিসাবে বৈরুত থেকে মিয়ানমারের যেসব মিশন সবচেয়ে কাছে, সেগুলো তেল আবিব (ইসরায়েল, ২১৫ কিলোমিটার), এথেন্স (গ্রিস, ১,১৫৮ কিলোমিটার) ও বেলগ্রেড (সার্বিয়া, ১,৭৬৮ কিলোমিটার) শহরে। লেবাননের বাসিন্দাদের আবেদন কোন মিশন নেবে, তা ঠিক করে মিয়ানমার; তাই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করার আগে সংশ্লিষ্ট মিশন বা অফিশিয়াল ভিসা পোর্টালে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিন।
মিয়ানমারের নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণ
মিয়ানমার
লেবানন আগে থেকে ভিসা লাগে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য লেবাননের ভিসা
মিয়ানমার ভ্রমণের পরামর্শ
- মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্তর ৪: ভ্রমণ করবেন না
- যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ
- জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো দেশের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্র দপ্তর এই দেশে ভ্রমণ নিয়ে নিজেদের নাগরিকদের কী পরামর্শ দেয়, প্রতিটি দপ্তরের নিজের ভাষায়।
মিয়ানমারে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এমন লেবাননের নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ মিলিয়ে দেখা কাজে আসে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মিয়ানমারকে স্তর ৪-এ ("ভ্রমণ করবেন না") রেখেছে (হালনাগাদ ৭ মে, ২০২৬)। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তর (FCDO) মিয়ানমারের কিছু অঞ্চলে সব ধরনের ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দেয় (হালনাগাদ ৪ আগস্ট, ২০২৬)। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো মিয়ানমারের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে (হালনাগাদ ১৩ অক্টোবর, ২০২৬)। এই পরামর্শগুলো জারিকারী সরকারগুলোর নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশে।
জেনে রাখুন
লেবাননের নাগরিকরা মিয়ানমারে কত দিন থাকতে পারেন
মিয়ানমারে লেবাননের নাগরিকদের অবস্থানের মেয়াদ নির্ভর করে দেওয়া ভিসার ওপর, আর ভিসার ধরন ভ্রমণের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মিলতে হবে।
লেবাননের নাগরিকরা কীভাবে আবেদন করবেন
লেবাননে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস বা পেশাদার কনস্যুলেট নেই। তাই লেবাননের নাগরিকদের আবেদন করতে হবে মিয়ানমারের সেই মিশনে, যার এখতিয়ারে লেবানন পড়ে; সঠিক জায়গা জানা যাবে মিয়ানমারের অফিশিয়াল ভিসা ওয়েবসাইটে।
লেবাননের নাগরিকদের জন্য মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশ
চীন, বাংলাদেশ ও ভারত যেতে লেবাননের নাগরিকদের আগে ভিসা নিতে হয়।
মিয়ানমারের নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণ
লেবানন ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক। লেবানন ও মিয়ানমারের মধ্যে দুই দিকেই একই নিয়ম।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
মিয়ানমারে যেতে লেবাননের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লেবাননের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন না; আবেদন করতে হয় যাত্রার আগে।
লেবাননে কি মিয়ানমারের দূতাবাস আছে?
না। লেবাননে মিয়ানমারের কোনো দূতাবাস নেই। মিয়ানমারের সবচেয়ে কাছের দূতাবাস ইসরায়েলের তেল আবিবে, বৈরুত থেকে ২১৫ কিলোমিটার দূরে।
লেবাননে যেতে মিয়ানমারের নাগরিকদের কি ভিসা লাগে?
লেবানন ভ্রমণে মিয়ানমারের নাগরিকদের আগে থেকে ভিসা নেওয়া বাধ্যতামূলক।
লেবাননের নাগরিকরা কি ভিসা ছাড়া মিয়ানমারে যেতে পারেন?
না। লেবাননের নাগরিকদের আগে থেকে মিয়ানমারের ভিসা নিতে হয়।
ভিসার তথ্য: Passport Index (passport-index-data ডেটাসেট), ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রবেশের শর্ত যেকোনো সময় বদলাতে পারে। টিকিট কেনার আগে গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা সরকারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আবার যাচাই করে নিন।